রেজাউল করিম – ফরিদপুর
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এস এম নুরুজ্জামান। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র একদিনের মাথায় চাঞ্চল্যকর কিশোরী ধর্ষণ মামলার মূল অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে তিনি এলাকাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। স্থানীয় জনসাধারণ পুলিশের এ কার্যকর ভূমিকার প্রশংসা করছেন।
হোটেলে কিশোরীকে ধর্ষণ: অভিযোগে যা জানা গেছে
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সম্প্রতি কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়
১৯ নভেম্বর এক যুবক প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ওই হোটেলে নিয়ে যায়। পরে তাকে চেতনানাশক কিছু খাইয়ে নির্মমভাবে ধর্ষণ করে। কিশোরীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নবাগত ওসির কড়াকড়ি নজরদারি ও দ্রুত অভিযান, নতুন দায়িত্ব নেওয়া সত্ত্বেও ওসি এস এম নুরুজ্জামান ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিজেই তদন্তের সার্বিক তদারকি শুরু করেন। মামলার জটিলতা বিবেচনায় পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিশেষ একটি চৌকস দল গঠন করে।
অভিযান শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত আসামি কে শনাক্ত করা হয় এবং ঈশান গোপালপুর ইউনিয়ন দুর্গাপুর গ্রামের মান্নানের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের এমন তৎপরতায় স্থানীয়রা দ্রুত বিচার পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছেন। গ্রেফতারের বিষয়ে নবাগত ওসি বলেন
“ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে কোনো প্রকার ছাড় নেই। ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান ও আমাদের তদন্ত চলবে।”এ সময় তিনি আরও আশ্বাস দেন, ফরিদপুর সদর কে নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করবে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।