বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা বাজারে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন ছাতকে ৮০০ পিস ই’য়া’বাসহ একজন গ্রেফতার। ফরিদপুর থেকে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন গ্রাজুয়েট গ্রুপের: ২০২৭ সালের মধ্যে নিজস্ব জমিতে কারখানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য চিলমারীতে “জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুপ্তিকে” ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ সংবর্ধনা রাজশাহীর মোহনপুরে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত পটিয়া থানায় প্রভাব বিস্তার করে হট্টগোল করায় নারীকে বিতাড়িত ভূরুঙ্গামারীতে এইচএসসি ও আলিমের ফল প্রকাশে শীর্ষে ধলডাঙ্গা কলেজ ও ফাজিল মাদ্রাসা কালারুকা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মনসুর আজাদের সমর্থনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু; পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ ও কবর জিয়ারত করলেন এনসিপি’র সাজ্জাদ হোসেন বালিয়াকান্দিতে জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মীর মনিরুজ্জামান বাবুর নেমপ্লেট বিতরণ ও গণসংযোগ
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

চিলমারীতে আবারও “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধস, আতঙ্ক এলাকাবাসী

Reporter Name

 

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের” কাঁচকোল বাজারের পুর্বে ও বাজারের দক্ষিণে “কেডি ওয়ারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের” সামনসহ ২স্থানে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের জিও ব্যাগ গুলো সরে যাচ্ছে এবং ব্লক পিচিং গুলো নদীতে দেবে যাচ্ছে। এতে নদের তীরবর্তী এলাকায় “বাজার, মসজিদ, স্কুল, মাদ্রাসা ও আবাদি জমিসহ হাজার হাজার পরিবার ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচকোল বাজারে পূর্ব পাশে গাছের তলে ও বাজারের দক্ষিণ দিকে “কেডি ওয়ারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের” সামনে পূর্ব পাশের স্থানে, ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের জিও ব্যাগ ও ব্লক পিচিং গুলো মাটি ভেঙে নদীতে ধসে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ করেন, ৪৪৮কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ ২০১৮সালে হলেও তখন থেকে একাধিক বার, ব্লক ধসের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত হয়নি স্থায়ী সমাধান। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্কে থাকতে হয় এই এলাকার মানুষদের। কাঁচকোল বাজার এলাকার বাসিন্দা আবু বক্কর বলেন,
এখানে নদী ভাংতেছে যদি এখানে বান্দা না হয় তাহলে কাঁচকোল ভেঙে যেতে পারে। কাইয়ুম মিয়া বলেন, যদি এটা তারাতারী বান্দন না করে তাহলে পাশে বাজার, বাড়ি ও গাছও থাকবে না। শফিউল মিয়া বলেন, দুপুরে ২টা থাকি দেখি ব্লক ভাংতেছে গাছের তলে, সবাই খালি দ্যেহে কাহ কয় না, ইউএনও সাহেবের কাছে আমার দাবি তারাতাড়ি বস্তুা ফেলার জন্য। আঃ রাজ্জাক বলেন, এই নদী যদি ভাংগি যায় তাহলে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, ভাংগি যায় এদের অবস্থা করুন হয়ে যাবে। তারা আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত তেমন কোন স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। দ্রত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, আমরা এটা পরিদর্শন করলাম, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, আমরা দ্রুত এটা মেরামতের ব্যবস্থা করব বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ