শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশে রূপান্তর হবে ৯ হাজার ধর্মীয় ও বিভিন্ন শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের চীনের ইউএসটিসি পরিদর্শন চালু হবে ‘ই-হেলথ কার্ড’, হাসপাতালে থাকবেন বিশেষ নিরাপত্তাকর্মী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তি সার্বভৌমত্বের জন্য বড় ঝুঁকি : দেবপ্রিয় দেশে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড়ের খবর ভিত্তিহীন গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের তুরস্কে খলিলুর রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে বাণিজ্যচুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থী মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির কারণে রাজস্ব আয় কমবে : সাম্রাজ্যবাদবিরোধী জোট
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে কলেজ অধ্যক্ষকে লাল গালিচায় বিদায়

Reporter Name

 

মোঃ আরিফ শেখ , ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষিত তিনদিনের শোক চলাকালীন সময়ে ফরিদপুরের সরকারি ইয়াছিন কলেজে এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। শোক দিবস উপেক্ষা করে লাল গালিচা সংবর্ধনার মাধ্যমে বিদায় নেওয়ায় কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ফজলুল হক খাঁনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
৩১ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে সরকারি ইয়াছিন কলেজে অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ফজলুল হক খাঁনের অবসরজনিত বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেখা যায়, কলেজের প্রধান ফটক থেকে প্রশাসনিক ভবন পর্যন্ত লাল গালিচা পাতা হয়। ফুলেল শুভেচ্ছা, করতালি ও আনুষ্ঠানিক বিদায়ের মাধ্যমে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
আজকে দেশজুড়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এ সময়ে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে সংযম ও শোকাবহ পরিবেশ বজায় রাখার কথা থাকলেও ইয়াছিন কলেজের এই আয়োজন সেই নির্দেশনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন অনেকেই।
এ অনুষ্ঠানের বিষয়ে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন জানালেন,অনুষ্ঠানটি পূর্বনির্ধারিত ছিল এবং শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়নি। এই যুক্তিকে অনেকেই গ্রহণযোগ্য মনে করছেন না। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় শোকের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা স্থগিত করাই দায়িত্বশীলতার পরিচয়।
স্থানীয়রা বলছেন, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় শোক ও জাতীয় অনুভূতির প্রতি আরও সংবেদনশীল আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ