বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ‘সিনেমাআরেনা’র সূচনা সভা বালিয়াডাঙ্গীর বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে আরএমপি নিয়োগের লটারি অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর পর শুক্রবার দেশে ফেরার কথা ছিল, আবুধাবিতে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল পটিয়ার পুলকের রাজশাহীতে উৎসবমুখর আয়োজনে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা বাজারে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন ছাতকে ৮০০ পিস ই’য়া’বাসহ একজন গ্রেফতার। ফরিদপুর থেকে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন গ্রাজুয়েট গ্রুপের: ২০২৭ সালের মধ্যে নিজস্ব জমিতে কারখানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য চিলমারীতে “জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুপ্তিকে” ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ সংবর্ধনা রাজশাহীর মোহনপুরে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত পটিয়া থানায় প্রভাব বিস্তার করে হট্টগোল করায় নারীকে বিতাড়িত
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে কলেজ অধ্যক্ষকে লাল গালিচায় বিদায়

Reporter Name

 

মোঃ আরিফ শেখ , ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষিত তিনদিনের শোক চলাকালীন সময়ে ফরিদপুরের সরকারি ইয়াছিন কলেজে এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। শোক দিবস উপেক্ষা করে লাল গালিচা সংবর্ধনার মাধ্যমে বিদায় নেওয়ায় কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ফজলুল হক খাঁনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
৩১ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে সরকারি ইয়াছিন কলেজে অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ফজলুল হক খাঁনের অবসরজনিত বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেখা যায়, কলেজের প্রধান ফটক থেকে প্রশাসনিক ভবন পর্যন্ত লাল গালিচা পাতা হয়। ফুলেল শুভেচ্ছা, করতালি ও আনুষ্ঠানিক বিদায়ের মাধ্যমে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
আজকে দেশজুড়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এ সময়ে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে সংযম ও শোকাবহ পরিবেশ বজায় রাখার কথা থাকলেও ইয়াছিন কলেজের এই আয়োজন সেই নির্দেশনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন অনেকেই।
এ অনুষ্ঠানের বিষয়ে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন জানালেন,অনুষ্ঠানটি পূর্বনির্ধারিত ছিল এবং শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়নি। এই যুক্তিকে অনেকেই গ্রহণযোগ্য মনে করছেন না। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় শোকের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা স্থগিত করাই দায়িত্বশীলতার পরিচয়।
স্থানীয়রা বলছেন, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় শোক ও জাতীয় অনুভূতির প্রতি আরও সংবেদনশীল আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ