রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনার ঝড়  মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

৩ বার পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন তৌহিদ হোসেন

নিউজ ডেস্ক:

নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এম তৌহিদ হোসেন। তিনি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছুই জানতো না। এর নেপথ্যে ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

তিনি জানান, সাত সদস্যের কিচেন ক্যাবিনেটে অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত হতো। প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল। তাই তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন, তবে তা গৃহীত হয়নি।

তিনি বলেন, আমি ৩ বার কুইট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তবে তারা বলে যে, এটা অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করবে।

ক্ষমতায় থাকাকালে কয়েকজন উপদেষ্টার সমন্বয়ে কিচেন কেবিনেট সব সিদ্ধান্ত নিত দাবি করে তিনি বলেন, কোনো এক উপলক্ষে এই কিচেন ক্যাবিনেটের একটা মিটিংয়ে আমাকে যেতে হয়েছিল। যমুনাতেই এটি হতো এবং আমি পরে জেনেছি যে প্রতি মঙ্গলবারে তারা বসেন। সিদ্ধান্ত নেয় কেউ কেউ; এ ধরনের কথাবার্তা শোনা যেত। আমার কানেও আসতো। কিন্তু এর বাইরে আসলে আমার জানা ছিল না যে, এরকম একটা গ্রুপ আছে যারা নিয়মিত বসে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।

ভোটের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে তার বিষয়ে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অথবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামান্যতম ইনভলভ ছিল না এটাতে। এটাতে ইনভলভ ছিল কমার্স মিনিস্ট্রি এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ