বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা বাজারে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন ছাতকে ৮০০ পিস ই’য়া’বাসহ একজন গ্রেফতার। ফরিদপুর থেকে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন গ্রাজুয়েট গ্রুপের: ২০২৭ সালের মধ্যে নিজস্ব জমিতে কারখানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য চিলমারীতে “জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুপ্তিকে” ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ সংবর্ধনা রাজশাহীর মোহনপুরে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত পটিয়া থানায় প্রভাব বিস্তার করে হট্টগোল করায় নারীকে বিতাড়িত ভূরুঙ্গামারীতে এইচএসসি ও আলিমের ফল প্রকাশে শীর্ষে ধলডাঙ্গা কলেজ ও ফাজিল মাদ্রাসা কালারুকা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মনসুর আজাদের সমর্থনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু; পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ ও কবর জিয়ারত করলেন এনসিপি’র সাজ্জাদ হোসেন বালিয়াকান্দিতে জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মীর মনিরুজ্জামান বাবুর নেমপ্লেট বিতরণ ও গণসংযোগ
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

সাতকানিয়ায় মানবিক অভিভাবক হিসেবে অনন্য নজির গড়লেন ইউএনও খন্দকার মাহমুদুল হাসান

সাতকানিয়া, উপজেলা প্রতিনিধি:

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের কাছে এক ভরসা ও মানবিকতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব খন্দকার মাহমুদুল হাসান। সাম্প্রতিক সময়ে সাতকানিয়ায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যায় নিজের জীবন বাজি রেখে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন— সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কীভাবে একজন প্রকৃত মানবিক অভিভাবক হয়ে ওঠা যায়।

সাম্প্রতিক স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সাতকানিয়া উপজেলার চারপাশ যখন পানিতে থৈ থৈ করছিল, তখন লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েন। হাজারো মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই ভেসে যায়, তলিয়ে যায় সাধারণ মানুষের স্বপ্ন। চারদিকে যখন দিশেহারা মানুষের আহাজারি আর আর্তনাদ, ঠিক তখনই ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হন ইউএনও খন্দকার মাহমুদুল হাসান।

ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, নিজের ব্যক্তিগত আরাম-আয়েশ বিসর্জন দিয়ে তিনি দিন-রাত এক করে ছুটে গেছেন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। দুর্গম ও বুকসমান পানি মাড়িয়ে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন জরুরি খাদ্য ও ত্রাণ সামগ্রী।

“নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি যেভাবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তা সত্যিই অভাবনীয়। সরকারি কর্তব্য পালনের চেয়েও বড় বিষয় ছিল তাঁর ভেতরের মানবিকতা।”

দুর্যোগের সময়ে সরকারি এই কর্মকর্তার এমন নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ ও অক্লান্ত পরিশ্রমকে চিরকাল কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ রাখবে বলে জানিয়েছেন সাতকানিয়াবাসী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে উপজেলার সর্বত্র এখন তাঁর এই মানবিক ভূমিকার প্রশংসা চলছে। সাধারণ মানুষের স্পষ্ট ভাষ্য: “বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় যদি এমন একজন করে মানবিক ও দায়িত্বশীল সরকারি অফিসার থাকতেন, তবে আমাদের দেশটা আরও সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত হতো।”

দুর্যোগ কেটে গেলেও সাতকানিয়ার মানুষের মনে খন্দকার মাহমুদুল হাসান একজন সরকারি কর্মকর্তার গণ্ডি পেরিয়ে এক পরম ‘মানবিক অভিভাবক’ হিসেবে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ