বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

রাসিকের উন্নয়নে প্রশাসনিক দায়িত্ব চান রিটন

Reporter Name

 

মোঃ ফয়সাল হোসেন, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান রাজশাহী:-

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক হিসেবে নিজের নাম আলোচনায় আসার বিষয়ে মুখ খুলেছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে রাজশাহীবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে এবং নগরীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে তিনি প্রস্তুত।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী মহানগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দারুন নাজাত হাফিজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রাসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগ্রহ প্রকাশ করে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “বিগত সময়ে মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ও মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল যুবদল থেকে অল্প বয়সে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমিও যুবদল থেকে বিএনপিতে এসেছি। প্রশাসনিক দায়িত্ব পেলে রাজশাহীর উন্নয়ন করা সম্ভব। আমি রাজশাহীর মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর পরিকল্পিতভাবে নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রিমা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুমন শরিফ।
বক্তারা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী হিসেবে গণতন্ত্রের সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ক্রীড়াঙ্গনে আরাফাত রহমান কোকোর অবদানও স্মরণ করা হয়। বক্তারা মিজানুর রহমান মিনুকে মন্ত্রী করায় তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান এবং বর্তমান সরকারের কৃষক ও ইমামদের ভাতার পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
চন্দ্রিমা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুমন শরিফের আয়োজনে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম রঞ্জু, সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম জনি, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডাবলু, চন্দ্রিমা থানা বিএনপির সদস্য জনি আহমেদ, মতিহার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলামিন বাবু এবং শাহ মখদুম থানা বিএনপির সদস্য সচিব নাসিম খান। এছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মোনাজাতের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের কল্যাণ ও দেশের শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ