রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ল শ্রীবরদীতে বিলের পাড় থেকে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার ছাতকে নিজের ঘরে বিদ্যুতের মেরামত করতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু সালথায় আসামির স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করতে গিয়ে গনধোলাই খেলেন-এএসআই চিলমারীতে বাড়ির পাশ থেকে, শিশু আয়শা সিদ্দিকার ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার রাজশাহীর মোহনপুরে সাংবাদিক মোজাহারের জানাজা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে সেলাই মেশিন, খেলাধুলার সামগ্রী ও মন্দিরে বাদ্যযন্ত্র বিতরন করেন এম পি ইলেন ভুট্টো জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে সরকার প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার : মাহদী আমিন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আইনি ও নীতিগত কাঠামো সংস্কার প্রয়োজন
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

রাজশাহীতে রস ছাড়াই তৈরি করা হচ্ছে খেজুরের গুড়

Reporter Name

 

মোঃ আশিকুর রহমান বিপ্লব
জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী

কোনো ধরনের রস ছাড়া তৈরি করা হচ্ছে গুড়। চিনি ও কাপড়ে দেওয়া রঙ, আটা ও চিনি দিয়ে তৈরি হচ্ছে আখ ও খেজুরের গুড়। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার শাহাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র্যার।

এসময় তারা বিপুল পরিমানের চিনি ও ভেজাল গুড় জব্দ করে র্যাবের সদস্যরা। একটি কারখানার মালিক লাকি ও সান্টুরকে ৫০ করে ১ লাখ টাকা জরিমানা করে রাজশাহী ভোক্তা অধিদপ্তরের উপপরিচাল ইব্রাহিম হোসেন। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে আরও কারখানায় জমিমানা করা হবে। একই সঙ্গে এইগুলো ধ্বংস করা হবে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে- এই গ্রামে গুড় তৈরির তিনটি কারখানা দেখা গেছে। কারখানাগুলোতে আখ এবং খেজুরের রসের কোন বালাই নেই। তবুও তৈরি হচ্ছে গুড়। কোনো কোনো কারখানার ভিতর দেখা গেছে- চুলাই কড়ায়ে গুড় তৈরি হচ্ছে। তার পাশেই বিভিন্ন খাঁচের উপর ফেলে দেওয়া হচ্ছে আকৃতি। তৈরি হওয়া গুড়গুলো পরবর্তীতে স্থানীয়সহ বিভিন্ন বাজারে পাঠানো হয়।

এই এলাকায় গুড় তৈরি করেন নানটু মিয়া। তবে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়েছেন। তার স্ত্রী মোসা. লাকি অকপটে স্বীকার করে বলেন, এ গুড়গুলো তৈরিতে কোনো ধরনের রসের ব্যবহার নেই। শুধু চিনি দিয়ে আখ এ খেজুরের গুড় তৈরি করা হয়। এরমধ্যে মেশানো হয়- কাপড় দেওয়া রঙ, আটা, হাইড্রোজ, গ্যাস পাউডার, চুন চিনি ব্যবহার করা হয়। এরপরে এগুলো রাজশাহী, নাটোর, পাবনার বিভিন্ন মেকামে পাঠানো হয়। সেগুলোতে বিভিন্ন দামে কেনা বেচা হয়। একই এলাকার শান্টুকে ৫০ হাজার টাকা জরিমান করা হয়।

রাব ৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন- এখানে যে গুড়গুলো রয়েছে সেখানে আখ বা খেজুরের রসের কোন উপস্থিতি নাই। সবগুলো চিনি ও কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি। কারখানাগুলো প্রায় একটনের মতো গুড় রয়েছে। এইগুলো ধ্বংস করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ