বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

রাজশাহীতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী হারুন-অর রশিদের বিরুদ্ধে দূর্ণীতি ও অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন

Reporter Name

মোঃ ফয়সাল হোসেন, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান রাজশাহী :

রাজশাহীর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ দুর্নীতি, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাদের স্বজনপ্রীতি ও ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সাথে যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ঠিকাদাররা।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও পরে বিভাগীয় কমিশনার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়৷
মানববন্ধনে ঠিকাদাররা অভিযোগ করেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে নির্দিষ্ট সিন্ডিকেট ছাড়া অন্য কোনো ঠিকাদারকে কাজ দিচ্ছেন না নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ। যোগ্য ঠিকাদারদের উপেক্ষা করে ‘স্বজনপ্রীতির ভিত্তিতে’ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও তাঁদের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের সুবিধা দিচ্ছেন। ফলে রাজশাহীর প্রকৃত ঠিকাদার কাজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
অভিযোগকারীরা জানান, ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত কয়েক শত কোটি টাকার কাজ সিন্ডিকেটভুক্ত কিছু ঠিকাদারদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে। নিয়মিত বিল আটকে রেখে ঘুষ আদায়, অতিরিক্ত অর্থ দাবি, কাজের গুণগত মান উপেক্ষা করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের অগ্রাধিকার দেওয়াসহ নানা অনিয়ম তাঁর বিরুদ্ধে আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, চলতি অর্থবছরে একটি কোম্পানিকে ১৮ কোটি টাকার কাজ দিলেও সেটি যথাসময়ে শেষ হয়নি। আবার একাধিক কোম্পানিকে ১০ কোটি টাকার প্রকল্প দিলেও কাজের মান নিশ্চিত হয়নি। অথচ নিয়মিত বিল উত্তোলন করা হচ্ছে নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রত্যক্ষ সহায়তায়। ভুক্তভোগী ঠিকাদাররা জানান, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করলে প্রকৌশলী হারুন তাঁদের কাজ বন্ধ করে দেন। এমনকি প্রভাবশালী মহলের নামে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।এ বিষয়ে আন্দোলনকারীরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে জরুরি তদন্ত দাবি করেছেন। পাশাপাশি নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদকে অবিলম্বে রাজশাহী থেকে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, “আমরা নিয়ম মেনে কাজ করতে চাই। কিন্তু অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সঠিকভাবে কাজের সুযোগ পাচ্ছি না। তদন্ত করলে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে।”
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ঠিকাদার তারেক, ফিরোজ, হিমেল, শাহীন, সজিব, রবিন, শাকিল ও ফরহাদসহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে কর্মরত ঠিকাদার৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ