বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

মূল্যস্ফীতি ফের ৯ শতাংশ ছাড়াল

অনলাইন ড্রেস

খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই পণ্যের দাম বাড়ায় এক মাসের ব্যবধানে ৯ শতাংশ ছাড়াল সার্বিক মূল্যস্ফীতি। গত এপ্রিলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০৪ শতাংশে।

 

 

 

টানা কয়েক মাস বেড়ে গত ফেব্রুয়ারিতে ৯ শতাংশের ঘরে পৌঁছে যাওয়া মূল্যস্ফীতির হার এক মাসের ব্যবধানে মার্চে এসে ৮ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছিল। এবার এপ্রিলে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সেই মূল্যস্ফীতি গিয়ে দাঁড়াল ৯.০৪ শতাংশে।

 

 

 

 

 

বুধবার প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-বিবিএসের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এক মাস আগে, অর্থাৎ মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৭১ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯.১৩ শতাংশ।

 

 

 

৯.০৪ শতাংশ মূল্যস্ফীতির হার দিয়ে বোঝায় যে, গত বছর এপ্রিল মাসে যেসব পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা চলতি বছরের এপ্রিলে পেতে খরচ করতে হয়েছে ১০৯ টাকা ০৪ পয়সা।

 

 

 

মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য বলছে, এপ্রিল মাসে খাদ্যপণ্যে ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই দাম বেড়েছে, তাও বড় ব্যবধানে।এপ্রিলে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮.৩৯ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮.২৪ শতাংশ। অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে এপ্রিলে দাঁড়িয়েছে ৯.৫৭ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৯.০৯ শতাংশ।

 

খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকায় টানা চতুর্থ মাস মূল্যস্ফীতি বেড়ে ফেব্রুয়ারি মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৯.১৩ শতাংশে উঠেছিল।

 

 

 

মূল্যস্ফীতির এই হার গত বছরের এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ।

 

 

 

ওই সময় এ হার ছিল ৯.১৭ শতাংশ। মে মাসে তা কমে ৯.০৫ শতাংশ হয়েছিল। এরপর তা কমতে কমতে গত বছর অক্টোবর মাসে ৮.১৭ শতাংশে নেমে এসেছিল, যা ৩৯ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।

 

কিন্তু এরপর থেকে মূল্যস্ফীতির ফের ঊর্ধ্বমুখী হয়। গত বছর নভেম্বরে ৮.২৯ শতাংশ এবং ডিসেম্বরে ৮.৪৯ শতাংশের পর জানুয়ারিতে এই হার ৮.৫৮ শতাংশে গিয়ে দাঁ

 

ড়ায়।ফেব্রুয়ারিতে তা এক লাফে ৯ শতাংশে পৌঁছানোর পর ফের মার্চে ৮ শতাংশের ঘরে আসে মূল্যস্ফীতি। তবে এক মাসের ব্যবধানেই ফের ঊর্ধ্বমুখী হলো।

 

এপ্রিলে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.০৫ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮.৭২ শতাংশ। অন্যদিকে, শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি মার্চের ৮.৬৮ শতাংশ থেকে বেড়ে এপ্রিলে দাঁড়িয়েছে ৯.০২ শতাংশে।

 

 

 

মূল্যস্ফীতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সামান্য বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের মজুরিও। মার্চে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.০৯ শতাংশ, যা এপ্রিলে এসে দাঁড়িয়েছে ৮.১৬ শতাংশ। মজুরি সামান্য বাড়লেও এখনো মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে কম।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ