শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঝালকাঠির নলছিটিতে সেলাই মেশিন, খেলাধুলার সামগ্রী ও মন্দিরে বাদ্যযন্ত্র বিতরন করেন এম পি ইলেন ভুট্টো জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে সরকার প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার : মাহদী আমিন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আইনি ও নীতিগত কাঠামো সংস্কার প্রয়োজন ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশে রূপান্তর হবে ৯ হাজার ধর্মীয় ও বিভিন্ন শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের চীনের ইউএসটিসি পরিদর্শন চালু হবে ‘ই-হেলথ কার্ড’, হাসপাতালে থাকবেন বিশেষ নিরাপত্তাকর্মী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তি সার্বভৌমত্বের জন্য বড় ঝুঁকি : দেবপ্রিয় দেশে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড়ের খবর ভিত্তিহীন
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

বোয়ালমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা হুমকিতে: তিনজনের স্থলে একজন নাইটগার্ড, বন্ধ গেইট খুলে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন

Reporter Name

আব্দুল মতিন মুন্সী,বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে। অনুমোদিত তিনজন নাইটগার্ডের জায়গায় বর্তমানে মাত্র একজন নাইটগার্ড দিয়ে পুরো কমপ্লেক্সের রাতের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছে। এতে হাসপাতালের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালটির প্রধান গেইট নিরাপত্তার স্বার্থে রাতের বেলায় বন্ধ রাখা হতো। কিন্তু সম্প্রতি হঠাৎ করেই সেই গেইটটি আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে রাতে হাসপাতাল এলাকায় অবাধে লোকজন প্রবেশ ও বের হতে পারছে। ফলে হাসপাতালের কর্মচারী, রোগী ও বিশেষ করে নারী রোগীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

রাতের বেলায় হাসপাতালে ভর্তি থাকা এক রোগীর স্বজন বলেন, “রাতে হাসপাতালের ফটক খোলা থাকে। বাইরে থেকে অনেকে আসে, আবার চলে যায়। একজন নাইটগার্ড একা এত বড় জায়গায় কীভাবে নিরাপত্তা দেবে?”

হাসপাতালের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “তিনজন নাইটগার্ডের অনুমোদন থাকলেও দুইজনকে ডিউটিতে রাখা হচ্ছে না। একজনকে দিয়ে পুরো রাতের দায়িত্ব করানো হচ্ছে, যা অমানবিক এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এতে শুধু নিরাপত্তা নয়, কর্মচারীর নিজের জীবনও বিপদের মুখে থাকে।”

স্থানীয় বাসিন্দা ও সেবাগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেছেন, গেইট খোলা রাখার মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সুবিধা পাচ্ছে। তাদের মতে, প্রশাসনের অজ্ঞাতে বা অনুমতি ছাড়া গেইট খোলা রাখা ও নিরাপত্তাকর্মী কমানো দায়িত্বহীনতার শামিল।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা.মো নাজমুল হাসান বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। কেন একজন নাইটগার্ড দিয়ে দায়িত্ব করানো হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ বা ডিউটি পুনর্বিন্যাস করা হবে।”

তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়া প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও তদারকির অভাবের প্রতিফলন। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ