বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

বেগম রোকেয়ার আদর্শে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বেগম রোকেয়ার আদর্শ অনুসরণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া দিবসের অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, বেগম রোকেয়া যদি স্বপ্ন দেখতে পারে, আমরাও তো পারি স্বপ্ন দেখতে, অসুবিধা কি? দেখি না একবার। বেগম রোকেয়া কতদূরে এগিয়ে দিয়ে গেছে, আমরা অনেক দূর নিয়ে যাব। আর কিছু করতে না পারি স্বপ্নটা তো দেখতে পারি। বেগম রোকেয়া তাই করেছে স্বপ্ন দেখে গেছে। বেশি কাজ করতে পারিনি। স্কুল করেছে ঠিক আছে। কিন্তু আমরা অনেক কাজ করতেছি। আজকে টেকনোলজির যুগে পারা যায় না, এমন কোনো কাজ নেই। শুধু মন থেকে করতে হবে।

তিনি বলেন, আজকের যে নারী সমাজ, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নারী সমাজ সেটা ভিন্ন নারী সমাজ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার নারী সমাজ। এদের মাধ্যমে এই নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু। তারা শুধু নারীদের নয়, সবাইকে উদ্বুদ্ধ করে, সেজন্য তাদের উঁচু করে ধরে রাখা আমাদের জন্য এত দরকার। বেগম রোকেয়ার মত যেন না হয়। সুন্দর লিখে গেছেন, আমরা পড়তেই ভালো লেগেছে। ঝাঁকুনি দিতে হবে। এক জায়গা থেকে আসবে না, প্রত্যেক জায়গায় জায়গায়। সেই উত্তেজনা, সেই চেতনা নিয়ে আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম রোকেয়ার স্বপ্ন দেখেছে। সাংঘাতিক রকমের স্বপ্ন। এরকম স্বপ্ন মানুষ দেখতে পারে, সেই আমলে, এটা বিশ্বাস করা যায় আজকে? মনে হয় সুন্দর কথা বলেছে, সুন্দর কথা না, বিপ্লবী কথা। সমস্ত সমাজকে ঝাঁকুনি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ চিন্তা সে করেছে। একটা বাক্য দেখে অবাক হয়ে গেলাম, বলছে- নারী কন্যাদের লেখাপড়া শেখাও যাতে তার অন্য উপার্জন করতে পারে। সে ১০০ বছর আগের কথা, অন্য অর্জন করতে পারে। চাকরির কথা বলে না। আজকে আমরা বলছি উদ্যোক্তা হতে হবে। এই হতে হবে। সে বহুকাল আগে বলে চলে গেছে। সে শিক্ষা নিয়ে চাকরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করো। নিজের অন্য ব্যবস্থা করো। আচ্ছা সেখান থেকে আমরা শিখতে পারছি না কেন?

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজকে যারা পুরস্কার পেলেন তারা শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বাংলাদেশকে তারা অন্য এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এটা যুগান্তকারী পুরস্কার। যারা আমাদের দুনিয়ার সামনে অন্য স্তরে নিয়ে গেছে। এরা শুধু বাংলাদেশের মেয়ে না। এরা সারা পৃথিবীর নেতৃত্ব দেওয়ার মেয়ে। কাজেই তাদের যে আজকে আমরা পেয়েছি এই ছোট অনুষ্ঠানে সম্মান দেখানোর জন্য এটা তার প্রথম ধাপ। তারা সারা বাংলাদেশকে পাল্টে দিচ্ছিল।

আজকে যে অনুষ্ঠান হলো এটার কথা যখন পত্রপত্রিকা ছাপা হবে, পড়বে প্রত্যেক মেয়ে। চিন্তা করবে কিরে বাবা, আমরা কোথায়? আমরা কেন হতে পারছি না। তাদের স্ট্যান্ডিং তাদের বক্তব্য তাদের ফিলোসফি এ শুধু বাংলাদেশ প্রেক্ষিতে না বিশ্ব প্রেক্ষিতে। এদের প্রত্যেককে সারা দুনিয়া সম্মান করে। আমরা প্রথম তাদের সম্মান দেখালাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ