শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড়ের খবর ভিত্তিহীন গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের তুরস্কে খলিলুর রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে বাণিজ্যচুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থী মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির কারণে রাজস্ব আয় কমবে : সাম্রাজ্যবাদবিরোধী জোট স্বাধীনতা পুরস্কার দর্শকদের উৎসর্গ করলেন হানিফ সংকেত ইলিয়াস আলীর ত্যাগ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে জুলাইয়ের গৌরব, অসাধুদের কালো বাণিজ্য! ৩ বিভাগের জন্য দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস কাজের কথা বলে অপহরণ করে পাহাড়ে জিম্মি, র‍্যাবের অভিযানে উদ্ধার ৩
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

বিদ্যুতের লাইনম্যান ফিরোজ শেখ এর রাজধানীতে বিপুল সম্পদের মালিক,রহস্য জনক কারনে প্রশাসন চুপ

Reporter Name

 

মোঃ মোবারক হোসেন নাদিম
স্টাফ রিপোর্টার

আজ ৩ জানুয়ারী ২০২৬ইং
ঢাকা পাওয়া ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) মাতুয়াইল শাখার লাইনম্যান মো. ফিরোজ শেখ এর
রাজধানীতে বিপুল সম্পদের মালিক। রহস্য জনক কারনে প্রশাসন চুপ।
বিদ্যুৎ বিতরণী সংস্থার লাইনম্যানদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে হরহামেশাই। অর্থের বিনিময়ে গ্রাহককে অন্যায় সুবিধা দেয়ার অভিযোগই মেলে বেশি। এই ধরনের দুর্নীতি করে কতখানি অর্থবিত্তের মালিক হওয়া যায়, সেই প্রশ্ন রয়েই যায়। তবে এবার এক লাইনম্যানের খোঁজ মিলেছে, যিনি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন।

নাম তাঁর মো. ফিরোজ শেখ। লাইনম্যান মেট (পরিচিতি নম্বর:- ২১২৮৩ )ঢাকা পাওয়া ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) লাইনম্যান পদে কাজ করছেন তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে। অভিযোগ উঠেছে, দুর্নীতি করে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক এখন তিনি। রাজধানীতে ২টি ছয়তলা এবং সিরাজগঞ্জ একটি বহুতল ভবন রয়েছে। ফসলের জমি সহ আছে নামে বেনামে বিপুল সম্পদ। অস্বাভাবিক ব্যাংক নেনদেন। অনুসন্ধানের জানাযায় মাতুয়াইল ডিভিশনে যোগ দেয়ার পর থেকে এই ডিভিশনটি কে অবৈধ অর্থ উপার্জনের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে গড়ে তোলেন।
আর ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২২ সালের ফিরোজ শেখ শীতলক্ষ্যা ডিভিশন থেকে মোটা অংকের ঘুস দিয়ে মাতুয়াইল ডিভিশনে বদলি হয়। বদলী হওয়ার আগে থেকে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রিত করা আছে ফিরোজ শেখের নিজস্ব ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে।
সূত্র আরো জানায়, ফিরোজ শেখ ডিভিশনে যোগ দেওয়ার আগে শীতলক্ষ্যা ডিভিশনে ৫ বছরের বেশি সময় কর্মরত ছিলেন। সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানি, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন হলেও তা টাকার বিনিময়ে ‘ম্যানেজ’ করে ফেলেন ফিরোজ শেখ। জানা যায়, শীতলক্ষ্যা ডিভিশনে অনেক বহুতল ভবনে উচ্চচাপ (এসটি) সংযোগকে পাশ কাটিয়ে নিম্নচাপে (এসটি) সংযোগ দিয়ে বিপুল অংক হাতিয়ে নেন ফিরোজ শেখ। রাতারাতি বনে যান আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।
অনুসন্ধানে আর ও দেখা যায়, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকায় তাঁর নামে ২টি বহুতল ভবন রয়েছে। ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগটিও রয়েছে তাঁর নামে। প্রশ্ন উঠেছে, একজন লাইনম্যান অল্প বেতনে চাকরি করে ঢাকাতে জায়গা কিনে কীভাবে একটি ভবন তুললেন? ওই এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দশ বছর আগে জমিটি কিনে। ভবন নির্মাণের কাজে হাত দেন। এলাকায় তিনি পরিচিত ‘বিদ্যুতের প্রকৌশলী’ ফিরোজ শেখ হিসেবে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার
( ১ জানুয়ারি ) ফিরোজ শেখ সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে সৎ হিসেবে দাবি করেন। এবং বলেন, আমার ২৫ বছরের চাকরিজীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। বেতনের টাকা জমিয়ে এই সম্পদগুলা করেছি সিরাজগঞ্জের জায়গা বিক্রি করে এনে । এতে দোষের কী আছে? অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শীতলক্ষ্যা ডিভিশনে কর্মরত অবস্থায় আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো উঠেছিল, তা সবই অপপ্রচার। তদন্ত হয়েছিল, কিন্তু তারাও কিছু পায়নি।
ফিরোজ শেখ আরো বলেন, শীতলক্ষ্যা থেকে মাতুয়াইলে বদলি হওয়ার জন্য আমি – এই বলে সংযোগ কেটে দেন। বেশকিছু বার ফোন দেয়া হলে রিসিভ করেনা। মাতুয়াইল ডিভিশনের বর্তমানে টাকা ছাড়া কোন কাজই করে না টাকা না দিলে গ্রাহক হয়রানি করছে।নিজস্ব লোক দিয়ে কাজ করাচ্ছে। নাম বলতে ইচ্ছুক না ভয়ে এক কর্মচারী বলে ফিরোজ ভাই টাকা ছাড়া কোন কাজই করেনা।
মিটার পরিবর্তন টাকা দিলে সব হয়ে যায়
এমন কোন কাজ নাই টাকা দিলে সব হয়ে যাই
ফিরোজ শেখ।
কর্মচারীরা ভয়ে নাম প্রকাশ করছে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে চাচ্ছে না কেউ।
বহিরাগত লোক দ্বারা এক ফিডারের মিটার অন্য ফিডারে সংযোগ দিচ্ছে অনুমতি ছাড়া নিজেই সব করে কোন ব্যাংক জমাও লাগে না। স্থান পরিবর্তন করে থাকেন পারমিশন ছাড়াই টাকার বিনিময়ে মোঃ ফিরোজ শেখ, প্রত্যেক টোকেন এ ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা করে নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে নেন। প্রিপেডের ব্যাটারি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে টোকেন প্রতি ৫০০ টাকা দাবি করে যাহা বহিরাগত লোক দ্বারা সম্পূর্ণ করেন।
গ্রাহক নাম্বার ৩০৩৭৯২৭৭ গ্রাহক ইসলামবাগ ফিডারে আবাসিক সংযোগ ২ কিলো থাকলেও উক্ত গ্রাহকে ব্যাংক জমা ছাড়াই ২০ কিলো বাণিজ্যিক থ্রিপেস মিটারে রূপান্তর করে তুষার দ্বারা ফিডারে স্থানান্তর করা হয়। টাকা দিলে ফিরোজ শেখ বহিরাগত দালালদেরকে সব কাজ করে দেয়।গ্রাহক নাম্বার ৩০১৩৩৫০৫ গ্রাহক সানারপাড়।
অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় ফিরোজ শেখ
অবৈধভাবে মানতি মাসোয়ারা নিচ্ছে এখান থেকে
দীর্ঘ দুই বছর থেকে টাকা নিচ্ছে ফিরোজ শেখ।
আমাদের উপস্থিত টের পেয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
নিজস্ব ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে । টেম্পার টোকেন দিয়ে সংযোগ সঠিক করে দেয় । ২০২১ সালের থেকে কোনো রিচার্জ হয় না।গ্রাহক নাম্বার ৩০১৩৩৫০৫ গ্রাহক সানারপাড়।অর্থের বিনিময়ে গ্রাহককে অন্যায় সুবিধা দেয়ার অভিযোগই মেলে বেশি। এই ধরনের দুর্নীতি করে কতখানি অর্থবিত্তের মালিক হওয়া যায়।
গ্রাহক নাম্বার ৩৫৮১২০০৬ গ্রাহক সানারপাড়।
অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় ফিরোজ শেখ
অবৈধভাবে মানতি মাসোয়ারা নিচ্ছে বাণিজ্যিক
মিটার।টেম্পারিং করে সংযোগ ডাইরেক দিয়ে চালাচ্ছে রিক্সার গ্যারেজ অটো রিক্সা ৬০ থেকে ৭০ টা অটো রিক্সা চার্জ দেয় প্রতিদিন।
অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় ফিরোজ শেখ
অবৈধভাবে মানতি মাসোয়ারা নিচ্ছে এখান থেকে। ১০-১২ জনের একটা ইলেকট্রিশিয়ানের দল আছে ফিরোজ শেখের নিজস্ব এগুলা ডিপিডিসির বাইরের লোক দিয়ে কাজ করাচ্ছে।
ফিরোজ শেখের বিরুদ্ধে যে মুখ খোলে তার উপর অত্যাচার শুরু হয়ে যায় এলাকার লোকাল বখাটে ছেলেপেলে দিয়ে। নাম বলতে ইচ্ছুক নয় একাধিক ব্যক্তি কথাগুলো বলে এরকম বহু লোক আছে। ফিরোজ শেখ মিটার tempering সংযোগ ডাইরেক দিয়ে। সংযোগ কাটা সব নিয়ন্ত্রণ ফিরোজ শেখ করে। একনামের সবাই বলে প্রকৌশলী ফিরোজ শেখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ