মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার : ত্রাণমন্ত্রী

অনলাইন ড্রেস

 

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার।

 

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা মোকাবেলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করেছে।

 

 

উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি এখন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন, কৃষি পুনরুদ্ধার এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনাসভায় বক্তব্যে এসব কথা বলেন ত্রাণমন্ত্রী।

 

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে এক দিনে প্রায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হওয়াটা একটি অস্বাভাবিক ঘটনা। এ কারণে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়ে জনজীবন, কৃষি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

 

 

দুর্যোগকালীন সময়ে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, সেনাবাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী জানান, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় কৃষি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করে উঁচু স্থানে বীজতলা তৈরির ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যেন আসন্ন মৌসুমে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত না হয়।

 

মন্ত্রী আরো বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

 

 

এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ডায়রিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগ মোকাবেলার চিকিৎসাসামগ্রী প্রস্তুত রেখেছে। স্থানীয় প্রশাসনকে স্বাস্থ্যসেবার প্রস্তুতির বিষয়ে নিয়মিত তথ্য দেওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকার তিন ধাপে কাজ করে- দুর্যোগের আগে আগাম সতর্কতা, দুর্যোগ চলাকালে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

 

তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় জনগণকে সচেতন ও সহযোগিতাপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

 

 

আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন–চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সভাপতি জাহিদুল করিম কচি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ