শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ল শ্রীবরদীতে বিলের পাড় থেকে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার ছাতকে নিজের ঘরে বিদ্যুতের মেরামত করতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু সালথায় আসামির স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করতে গিয়ে গনধোলাই খেলেন-এএসআই চিলমারীতে বাড়ির পাশ থেকে, শিশু আয়শা সিদ্দিকার ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার রাজশাহীর মোহনপুরে সাংবাদিক মোজাহারের জানাজা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে সেলাই মেশিন, খেলাধুলার সামগ্রী ও মন্দিরে বাদ্যযন্ত্র বিতরন করেন এম পি ইলেন ভুট্টো জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে সরকার প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার : মাহদী আমিন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আইনি ও নীতিগত কাঠামো সংস্কার প্রয়োজন
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ডিপিডিসি মাতুয়াইল সহকারী লাইন ম্যান মোহাম্মদ ফিরোজ শেখের দুর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানি খুঁটির জোর কোথায়

Reporter Name

 

মোঃ মোবারক হোসেন নাদিম
স্টাফ রিপোর্টার

আজ ২৭ ডিসেম্বর-২০২৫ ইং রোজ শনিবার ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ডিপিডিসি মাতুয়াইল সহকারী লাইন ম্যান মোহাম্মদ ফিরোজ শেখ সহকারী লাইন ম্যান হয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইসিটি শাখায় কাজ করেন কি ভাবে দুর্নীতি এবং গ্রাহক হয়রানি করছেন খুঁটির জোর কোথায়।
সরজমিন তদন্ত করে জানা যায়, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ডিপিডিসি মাতুয়াইল সহকারী লাইন ম্যান মোহাম্মদ ফিরোজ শেখ আইডি নাম্বার ২১২৮৩ লাইন ম্যান হয়ে ও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে বিলিং শাখায় নিয়োজিত আইসিটি শাখা ও প্রিপেড এবং পোস্টপেইড এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন। যাহা ডিপি ডিসির আইসিটির জনবল থাকা সত্ত্বেও একজন সহকারী লাইন ম্যান আইসিটি শাখায় কাজ করেন। যা বেআইনী অফিসের অফিসারদেরকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করে।
আর ও জানা যায় মোহাম্মদ ফিরোজ শেখ নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে প্রিপেডে টোকেন দেওয়ার নাম করে গ্রাহকের কাছ থেকে অন্যায় ভাবে টাকা আবদার করছেন, যে সব গ্রাহক টাকা দিচ্ছে তাদের সংযোগ দুই-তিন দিনের মধ্যে করে দেয়। যে সমস্ত গ্রাহক মোহাম্মদ ফিরোজ শেখ সাথে দেখা না করে বা টাকা না দেয় তাদের সংযোগ দিতে গড়িমসি করছে, মোহাম্মদ ফিরোজ শেখ কে টাকা দিলে সংযোগ দুদিনের মধ্যে হয়ে যায়। আর টাকা না দিলে ডিমান নোট জমা দেওয়ার পর এক মাসের ও সংযোগ হয় না।
ভুক্তভোগী জনাব আবুল হাশেম মজুমদার ৭৫০১ ডগাইর গত ২৪ নভেম্বর ২০২৫ ইং ডিমান্ড নোট জমা দেয়ার পর ও গ্রাহক এখনও সংযোগ পাইনি।
উল্লেখ থাকে যে মোহাম্মদ ফিরোজ শেখ বহিরাগত লোকজন দ্বারা প্রিপেইড মিটারের বিভিন্ন কাজ করে থাকেন টাকার বিনিময়ে, সার্ভিস তার পরিবর্তন, মিটার চেঞ্জ,টারিফ পরিবর্তন, ও মিটারের মোট পরিবর্তন ব্যাংক জামা ছাড়াই করে ফেলেন। অফিস কর্তৃক প্রিপেইডের গ্রুপ থাকা সত্ত্বেও, বহিরাগত লোকজনের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে প্রিপেডের টোকেন দিয়ে থাকেন। ব্যক্তিগতভাবে উনি একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে রেখেছেন, যাহারা মোহাম্মদ ফিরোজ শেখের ব্যক্তিগত লোক তাদেরকে টাকার বিনিময়ে টোকেন সহ অন্যান্য সুবিধা দিয়ে থাকেন। বহিরাগত লোক দ্বারা এক ফিডারের মিটার অন্য ফিডারে ব্যাংক জমা ছাড়াই স্থান পরিবর্তন করে থাকেন। টাকার বিনিময়ে মোহাম্মদ পিরোজ শেখ, প্রত্যেক টোকেন এ ২০০ থেকে ৫০০ টাকা করে নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে নেন। প্রিপেডের ব্যাটারি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে টোকেন প্রতি দুইশত টাকা দাবি করে যাহা বহিরাগত লোক দ্বারা সম্পূর্ণ করেন।
গ্রাহক নাম্বার ৩০৩৭৯২৭৭ গ্রাহক ইসলামবাগ ফিডারে আবাসিক সংযোগ ২ কিলো থাকলেও উক্ত গ্রাহকে ব্যাংক জমা ছাড়াই ২০ কিলো বাণিজ্যিক থ্রিপেস মিটারে রূপান্তর করে তুষার দ্বারা ফিডারে স্থানান্তর করা হয়। টাকা দিলে জনাব ফিরোজ শেখ বহিরাগত দালালদেরকে সব কাজ করে দেয়।
আর ও জানা যায় মোহাম্মদ ফিরোজ শেখ সিরাজগঞ্জ সদরে আটতালা ফাউন্ডেশন করে ষষ্ঠ তালার কাজ চলমান তাহার সম্পন্ন লেনদেন বিকাশ এবং ব্যাংক একাউন্ট এর মাধ্যমে হয়ে থাকে। সিরাজগঞ্জ শহরে আরো অনেক জায়গা ক্রয় করিয়াছেন। যাহা তদন্ত করলে পাওয়া যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ