মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

টাঙ্গাইলে কৃষক হত্যায় মা মেয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Reporter Name

টাঙ্গাইলে কৃষক হত্যায় মা মেয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

 

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা কাতুলী গ্রামের কৃষক মো. শামসুল হত্যা মামলায় একই গ্রামের মা ও মেয়েকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্পেশাল জজ দিলারা আলো চন্দনা এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হচ্ছেন, কাকুয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী রাহিমন ও তার মেয়ে রোজিনা।

স্পেশাল জজ আদালতের সরকারি কৌশুলী (পিপি) আইনজীবী মো. শাহজাহান কবীর জানান, ২০১৪ কালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে শামসুল বাড়ির পাশে ফসলি জমিতে কাজ করতে ছিলেন। পূর্ব শত্রুতারা জেরে ওই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, তার স্ত্রী রাহিমন, মেয়ে রোজিনা ও ছেলে রফিকুল ইসলাম দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শামসুল বেধরক মারধর করে। পরে শামসুল আলমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় নেয়ার পর শামসুল মারা যান।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি শামসুলের স্ত্রী জামিরন বেগম বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ আব্দুর রাজ্জাক, তার স্ত্রী রাহিমন, মেয়ে রোজিনা ও ছেলে রফিকুল ইসলামের নামে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেন। ২০১৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রধান আসামী আব্দুর রাজ্জাক মৃত্যুবরণ করার পর ২০২১ সালের ১৯ আগস্ট অপর তিন জনের নামে আদালতে চার্জশীট জমা দেন। রফিকুল ইসলাম শিশু হওয়ায় শিশু আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছেন।

আইনজীবী মো. শাহজাহান কবীর বলেন, আমরা সঠিক বিচার পেয়েছি। রফিকুল ইসলামের বিচার কার্যক্রম দ্রুত শেষ হবে।

মামলার বাদি জামিরন বেগম বলেন, আমি সঠিক বিচার পেয়েছি। রফিকুল ইসলামকে অভিযোগ পত্রে শিশু উল্লেখ করলেও তিনি শিশু নয়। তার ফাঁসি দাবি করছি।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ