মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

চিলমারীতে ফের ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধের ধস: আতঙ্ক উপজেলাবাসী

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল (সড়কটারী) এলাকায়, আবারও তিনটি স্থানে ধস ও একাধিক স্থানে রাস্তার ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে নদের তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন ও বন্যা আতঙ্কে আছেন উপজেলাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় ১০, ১২ ও ৬ মিটার অংশের ব্লক পিচিং ধসে গেছে। এছাড়া অন্তত ১২টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছেন। ঝুঁকিতে রয়েছেন প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাসহ বাঁধের রাস্তা।
স্থানীয়দের অভিযোগ করেন, ৪৪৮কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ ২০১৮সালে হলেও তখন থেকে একাধিক বার, ব্লক ধসের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত হয়নি স্থায়ী সমাধান। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্কে থাকতে হয় এই এলাকার মানুষদের।
কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা খতিব উদ্দিন বলেন, ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর আমরা নদী ভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধসের ঘটনায় আমরা আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি, কখন যেন ভেঙে যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত তেমন কোন স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। বাঁধটি ভেঙে গেলে আমরা সর্বস্ব হারিয়ে আবারও ভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মানিক, খালেক, নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম বলেন, প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এবারও বাঁধে ধসের খবর শুনে দিন-রাত উদ্বেগে কাটছে। দ্রত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের স্থায়ী সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ