বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

উচ্চ শব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

Reporter Name

 

ছাতক প্রতিনিধি:

ছাতকের ভাতগাঁও ইউনিয়নের পাগনার গ্রামে উচ্চ শব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে। সংঘর্ষে জড়ায় স্থানীয় মেম্বার মনির মিয়া (৫৫) ও আমির আলী পক্ষের লোকজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমির আলীর বাড়িতে বিকট শব্দে গান বাজানো হচ্ছিল। এতে আশপাশের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। লেখাপড়া ও ঘুমের সমস্যা হওয়ায় লন্ডনপ্রবাসী সিরাজ মিয়া (৫৫) গান বন্ধ করতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে আমির আলী ও আয়না মিয়া উত্তেজিত হয়ে উঠলে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়।
উল্লেখ্য, আমির আলী ও লন্ডনপ্রবাসী আখতার মিয়ার মধ্যে পূর্ব বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। আখতার মিয়ার বাড়ি আয়না মিয়ার বাড়ির পাশেই অবস্থিত।
ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মানিক মিয়া (৪৫), দিলুয়ার হোসেন (৪০), মুজিবুর রহমান (২৫), এনামুল (২১) ও উসমান (২০)। আহতদের স্থানীয় কৈতক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত দিলুয়ার হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভাতগাঁও ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার মনির মিয়া জানান, পাগনারপাড় গ্রামে উচ্চ শব্দে গান বাজানো পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে নিষিদ্ধ। আখতার মিয়ার পরিবারের অভিযোগের পর পঞ্চায়েতের নির্দেশে সিরাজ মিয়াকে পাঠিয়ে আয়না মিয়াকে গান বন্ধ করতে বলা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আয়না মিয়া আখতার মিয়ার বাড়িতে হামলা চালান এবং সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
অন্যদিকে আমির আলী দাবি করেন, মেম্বার মনির মিয়া গান বন্ধ করতে বলার পর তিনি বাড়িতে এসে স্পিকার বন্ধের চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণ পর মেম্বারের ছেলে এসে লাথি মেরে স্পিকার ভেঙে ফেললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।
এ বিষয়ে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার কথা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ