মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

মানবতার সেবায় এগিয়ে যেতে চায় মরিয়ম পাশে দাঁড়াল জেলা পরিষদ প্রশাসক এবি এম মামুনুর রশীদ পলাশ,

জহুরুল ইসলাম জপি, শেরপুর প্রতিনিধি:

মানবতার সেবায় এগিয়ে যেতে চায় মরিয়ম পাশে দাঁড়াল জেলা পরিষদ প্রশাসক এবি এম মামুনুর রশীদ পলাশ,

 

জহুরুল ইসলাম জপি,

শেরপুর প্রতিনিধি:

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামের দরিদ্র কৃষক পরিবারের মেয়ে মরিয়ম আক্তার। দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতায় বেড়ে ওঠা এই মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবন সংগ্রাম সহজ ছিল না তবে স্বপ্ন ছিল অটুট একজন নার্স হয়ে মানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা।

 

দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট মরিয়ম তার মেধা ও পরিশ্রমের স্বাক্ষর রেখে সরকারি কলেজ অব নার্সিং, শেরে বাংলা নগরে ভর্তির সুযোগ অর্জন করে।

 

কিন্তু আর্থিক সংকট তার সেই স্বপ্নপূরণের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তার পিতা মো: মোজাফফর আলী ভর্তি ফি জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছিলেন।

 

এই পরিস্থিতিতে তিনি ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা পরিষদের সদস্য আল-আমীনের শরণাপন্ন হন।

 

বিষয়টি জানার পর দ্রুত মানবিক উদ্যোগ নেন শেরপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশিদ পলাশ।

 

আজ (৬ মে ২০২৬) সকাল ১১টায় তিনি নিজ হাতে মরিয়মের কাছে ১০,০০০ টাকার শিক্ষা বৃত্তির চেক তুলে দেন। এ সময় তিনি বলেন, মানবতার সেবায় যে নিজেকে উৎসর্গ করতে চায়, তার পাশে জেলা পরিষদ সবসময় থাকবে।

 

জেলা পরিষদের প্রশাসক এবি এম মামুনুর রশীদ পলাশ, বলেন, নার্সিং একটি মহান ও সম্ভাবনাময় পেশা। মরিয়ম ভবিষ্যতে শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও মানবতার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।

 

সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে মরিয়ম। আনন্দাশ্রুতে ভিজে ওঠে তার চোখ। তার পিতা জেলা পরিষদের প্রশাসক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

মরিয়মের এই গল্প শুধু এক শিক্ষার্থীর সংগ্রামের কাহিনি নয় এটি স্বপ্ন, মানবতা এবং সহযোগিতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ