মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

ইরানের ৫ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিল অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেক্স

 

অস্ট্রেলিয়ায় এএফসি নারী এশিয়ান কাপে খেলা শুরুর আগে জাতীয় সংগীত চলাকালে নীরব ছিলেন ইরানের ৫ ফুটবলার। এতে দেশে ফিরলে নির্যাতনের শিকার হতে পারেন, এমন আশঙ্কা দেখা দেয় তাদের মনে।

শেষ পর্যন্ত ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যান ওই ৫ নারী ফুটবলার। অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে আশ্রয় চান তারা।অস্ট্রেলিয়া সরকার তাতে সাড়া দিয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনায় দেশটিতে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

 

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় আজ (১০ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এ ঘোষণা দেন। আলবানিজ বলেন, ‘সাহসী নারীদের দুর্দশা অস্ট্রেলীয়দের ব্যথিত করেছে।তারা এখানে নিরাপদ এবং তারা মনে করতে পারে এটি তাদেরই ঘর।’

 

এক দিন আগে পুলিশ ওই ৫ ফুটবলারকে ইরানের সরকারি তত্ত্বাবধায়কদের কাছ থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। যদিও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ফুটবলাররাই ইরানের ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যান।

অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, ভিসা পাওয়া ৫ খেলোয়াড় হলেন জাহরা সারবালি আলিশাহ, মোনা হামৌদি, জাহরা গানবারি, ফাতেমেহ পাসানদিদেহ এবং আতেফেহ রামেজানিজাদেহ।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে তারা পুলিশের নিরাপত্তায় একটি গোপন স্থানে আছেন।

 

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ওই ৫ খেলোয়াড়ের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘গত রাতে আমি ইরানি নারী ফুটবল দলের ৫ খেলোয়াড়কে জানিয়েছি, তারা অস্ট্রেলিয়ায় নিরাপদে থাকতে পারে এবং এ দেশকে নিজেদের বাড়ি মনে করতে পারে।’

অস্ট্রেলিয়ায় চলমান এএফসি নারী এশিয়ান কাপ চলাকালে ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।

টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জাতীয় সংগীত চলাকালে ওই ৫ ফুটবলার ঠোঁট মেলাননি। ঘটনাটিকে অনেকেই ইরানের বর্তমান শাসকদের বিরুদ্ধে তাদের নীরব প্রতিবাদ হিসেবে দেখেছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ওই নারী ফুটবলারদের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিংয়ের এক ধারাভাষ্যকার খেলোয়াড়দের নীরবে দাঁড়িয়ে থাকার সিদ্ধান্তকে ‘চরম অসম্মানজনক’ বলে মন্তব্য করেন। এতে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ