সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত আরাফার প্রান্তর: পবিত্র হজ আজ রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে ঈদুল আযহার সংবর্ধনার আয়োজন করবেন ২৮ মে আগামী ১ জুন শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু : আইনমন্ত্রী কিচেন কেবিনেট নিয়ে আসিফ মাহমুদের প্রতিক্রিয়া রাতে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে মেট্রোরেল-ট্রেন ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, পাবেন যেভাবে চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ২২ হাজার মানুষ : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদের জামাত ঈদের পর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ দেওয়ার পরিকল্পনা রেলমন্ত্রীর ঝিনাইদহের ঘটনা নিয়ে হাসনাতের নতুন পোস্ট
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

ইরানের ৫ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিল অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেক্স

 

অস্ট্রেলিয়ায় এএফসি নারী এশিয়ান কাপে খেলা শুরুর আগে জাতীয় সংগীত চলাকালে নীরব ছিলেন ইরানের ৫ ফুটবলার। এতে দেশে ফিরলে নির্যাতনের শিকার হতে পারেন, এমন আশঙ্কা দেখা দেয় তাদের মনে।

শেষ পর্যন্ত ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যান ওই ৫ নারী ফুটবলার। অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে আশ্রয় চান তারা।অস্ট্রেলিয়া সরকার তাতে সাড়া দিয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনায় দেশটিতে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

 

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় আজ (১০ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এ ঘোষণা দেন। আলবানিজ বলেন, ‘সাহসী নারীদের দুর্দশা অস্ট্রেলীয়দের ব্যথিত করেছে।তারা এখানে নিরাপদ এবং তারা মনে করতে পারে এটি তাদেরই ঘর।’

 

এক দিন আগে পুলিশ ওই ৫ ফুটবলারকে ইরানের সরকারি তত্ত্বাবধায়কদের কাছ থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। যদিও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ফুটবলাররাই ইরানের ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যান।

অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, ভিসা পাওয়া ৫ খেলোয়াড় হলেন জাহরা সারবালি আলিশাহ, মোনা হামৌদি, জাহরা গানবারি, ফাতেমেহ পাসানদিদেহ এবং আতেফেহ রামেজানিজাদেহ।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে তারা পুলিশের নিরাপত্তায় একটি গোপন স্থানে আছেন।

 

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ওই ৫ খেলোয়াড়ের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘গত রাতে আমি ইরানি নারী ফুটবল দলের ৫ খেলোয়াড়কে জানিয়েছি, তারা অস্ট্রেলিয়ায় নিরাপদে থাকতে পারে এবং এ দেশকে নিজেদের বাড়ি মনে করতে পারে।’

অস্ট্রেলিয়ায় চলমান এএফসি নারী এশিয়ান কাপ চলাকালে ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।

টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জাতীয় সংগীত চলাকালে ওই ৫ ফুটবলার ঠোঁট মেলাননি। ঘটনাটিকে অনেকেই ইরানের বর্তমান শাসকদের বিরুদ্ধে তাদের নীরব প্রতিবাদ হিসেবে দেখেছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ওই নারী ফুটবলারদের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিংয়ের এক ধারাভাষ্যকার খেলোয়াড়দের নীরবে দাঁড়িয়ে থাকার সিদ্ধান্তকে ‘চরম অসম্মানজনক’ বলে মন্তব্য করেন। এতে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ