ফরিদপুর প্রতিনিধ :
ফরিদপুর সদর উপজেলার অবৈধ সিগারেটের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে এস এ পরিবহনে যৌথবাহিনীর তৎপরতায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। এ সময় অবৈধ সিগারেটের চালান সংশ্লিষ্ট দুইজনকে আটক করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
জানা যায়, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে ফরিদপুর সদর উপজেলার এস এ পরিবহন, ফরিদপুর সদর এলাকায় ৯ পদাতিক ডিভিশনের, ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেডের অধীনস্থ ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ফরিদপুর সদর আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে এবং স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কার্যালয়ের একটি দলের সমন্বয়ে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে অবৈধ সিগারেটের একটি চালান ফরিদপুরে আসছিলো।
অভিযান পরিচালনাকালে যৌথবাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যরা কুরিয়ার সার্ভিসে থাকা অবৈধ সিগারেটের চালান জব্দ করে। জব্দকৃত সিগারেটের মধ্যে ছিল ১০,০০০ শলাকা অবৈধ স্টার সিগারেট, ১০,০০০ শলাকা অবৈধ ডার্বি সিগারেট এবং ২২,০০০ শলাকা অবৈধ আকিজ বিড়ি। জব্দকৃত সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।
এ সময় অবৈধ সিগারেটের অর্ডার ও চালান প্রেরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোঃ বদর উদ্দিন খালাসি (৪৫) এবং আব্দুল লতিফ মিয়া (৫০) নামের দুইজনকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত মোঃ বদর উদ্দিন খালাসিকে ২৫,০০০ টাকা এবং আব্দুল লতিফ মিয়াকে ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দকৃত অবৈধ সিগারেট ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
যৌথবাহিনীর এই সফল অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সেনাবাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সমন্বিত অভিযানের ফলে অবৈধ ও ভেজাল পণ্য সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
এ সময় যৌথবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ পণ্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানানো হয়।