রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

রাজবাড়ীর কালুখালীতে সেনা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন

Reporter Name

 

মোঃ ওয়াজেদ আলী, সিনিয়র রিপোর্টার রাজবাড়ীঃ

দেশে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আজ ১৭ ডিসেম্বর বুধবার সকালে রাজবাড়ীর কালুখালী রেলস্টেশন সংলগ্ন রতনদিয়া ইউনিয়নে সেনা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৫৫ পদাতিক ডিভিশন ও যশোর এরিয়া কমান্ডার জিওসি মেজর জেনারেল জে এম ইমদাদুল ইসলাম, বিএসপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমান্ডার ৫৫ আর্টিলারি ব্রিগেড, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন), কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্থানীয় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত একটি মেনুভার অনুশীলন চলাকালীন সময়ে সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান অত্র এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের চাহিদার প্রেক্ষিতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সম্মানিত জিওসি ও এরিয়া কমান্ডারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সেনাবাহিনীর নিজস্ব অর্থায়নে একটি মানসম্মত স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী এপ্রিল মাস থেকে প্রাথমিকভাবে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে এবং পরবর্তীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত করা হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে জিওসি বলেন,
“জাতির ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। দেশব্যাপী সেনা পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ স্থাপনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির শিক্ষার মান সার্বিকভাবে উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন যে সেনা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, রাজবাড়ী শিক্ষায় উৎকর্ষতার একটি প্রতীক হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদী এবং এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এ এলাকার শিক্ষার মান বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে এই মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ