মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

কালাইয়ে কর্মকারপাড়া শাদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ: প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

Reporter Name

মো: মিশিকুল মন্ডল

স্টাফ রিপোর্টার

জয়পুরহাটে কালাই উপজেলায় কর্মকার পাড়ায় শাদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ,প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা
দেখতেই দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আর এই উৎসবকে ঘিরে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় শুরু হয়ে গেছে উৎসবের আমেজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা। তাদের নিপুণ হাতে মাটি আর রং তুলির আঁচড়ে জীবন্ত হয়ে উঠছে দেবী দুর্গা ও তার সঙ্গী-সাথীদের প্রতিমা।
উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে এখন সাজ সাজ রব। বাঁশ, কাঠ আর মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে পূজার মূল কাঠামো। এর মধ্যেই শিল্পীরা মনের মাধুরী মিশিয়ে গড়ে তুলছেন মা দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ এবং মহিষাসুরের প্রতিমা। তাদের হাতের ছোঁয়ায় যেন প্রাণ পাচ্ছে প্রতিটি অবয়ব।
কালাই উপজেলায় কর্মকারপাড়ায় শাদীয় দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি খিতেস কর্মকার এবং সাধারণ সম্পাদক বিটল কর্মকার জানান, এ বছরও উৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। তারা আরও জানান, কমিটির পক্ষ থেকে পূজার সার্বিক প্রস্তুতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়েও তারা সজাগ।
স্থানীয় কারিগররা জানান, প্রতি বছরই তারা এই সময়ে ব্যস্ত থাকেন। তাদের তৈরি প্রতিমা যখন মণ্ডপে স্থাপন করা হয় এবং ভক্তরা তা দেখে আনন্দ পান, তখন তাদের পরিশ্রম সার্থক মনে হয়।
আগামী দিনগুলোতে রং তুলির শেষ আঁচড় পড়বে প্রতিমাগুলোতে, আর এরপর শুরু হবে দেবীর আরাধনা। কালাইয়ের বাতাসে এখন শুধুই উৎসবের সুর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ