বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

ফরিদপুরে প্রতি বছরের মত পালিত হলো শুভ জন্মাষ্টমী

Reporter Name

গালিব মাহাবুব,(ফরিদপুর) জেলা প্রতিনিধি:

আজ শনিবার (১৬ই আগস্ট) ২০২৫ শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি, ফরিদপুর জেলা সহ বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলাতেই মহা উৎসবে পালিত হয় কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী। ইতিহাস রচনা করে জানা-যায়, অত্যাচারীর বিরুদ্ধে দুর্বলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করতে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।

এই বিশ্বাস পোষণ করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। শ্রীকৃষ্ণের এই আবির্ভাব তিথি শুভ জন্মাষ্টমী হিসেবে উদ্‌যাপন করা হয়।

সনাতন ধর্মের মানুষ বিশ্বাস করেন, নির্দয় শক্তি যখন ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই শক্তিকে দমন করে মানবজাতির কল্যাণ এবং ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটেছিল।

কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী সংস্কৃত রোমান ভাষায়, কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী যা কেবল কৃষ্ণাষ্টমী, জন্মাষ্টমী বা গোকুলাষ্টমী নামেও পরিচিত, একটি বার্ষিক হিন্দু উৎসব যা বিষ্ণুর অষ্টম অবতার কৃষ্ণের জন্ম উদযাপন করে । গীতা গোবিন্দের মতো কিছু হিন্দু গ্রন্থে কৃষ্ণকে পরম ঈশ্বর এবং সমস্ত অবতারের উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কৃষ্ণের জন্ম শ্রাবণ মাসের, অমন্ত ঐতিহ্য অনুসারে, কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে (অষ্টমী) প্রতিপালিত এবং পালন করা হয়। পূর্ণিমন্ত ঐতিহ্য অনুসারে কৃষ্ণের জন্ম ভাদ্র মাসের (কৃষ্ণপক্ষের) অষ্টমী তিথিতে (অষ্টমী) উদযাপিত হয়।

উদযাপন করা হয়, দহি হান্ডি, নন্দোৎসব (পরের দিন উত্তরে), ঘুড়ি ওড়ানো, শিশু কৃষ্ণের পায়ের ছাপ আঁকা, এবং উপবাস, ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি খাবার ইত্যাদি। পালন করা হয় নৃত্য-নাটক, পূজা, রাত জাগরণ, নিরাহার ইত্যাদি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ