মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

জুলাইযোদ্ধা সুজনের পাশে দাঁড়ালেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা

অনলাইন ড্রেস

জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করা জুলাইযোদ্ধা সুজনের সহায়তায় পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। সুজনের পারিবারিক ও আর্থিক দুর্দশার কথা বিবেচনা করে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার আশ্বাসও দেন তিনি।

 

 

 

 

 

আজ সোমবার (৮ জুন) ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জুলাইযোদ্ধা সুজনের অসহায়ত্বের করুণ বর্ণনা শুনে জেলা প্রশাসক এই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।

 

 

 

এ সময় সুজন জানান, জুলাই আন্দোলনে আহত হয়ে বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও শারীরিক অক্ষমতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। সুজনের পরিবারে বর্তমানে একাধিক সংকট চলছে।

 

 

 

 

 

তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। ঘরে রয়েছেন এক ডিভোর্সপ্রাপ্ত বোন, যার দেখভালের দায়িত্বও এই পরিবারের ওপর। অন্যদিকে তার স্ত্রী সন্তানসম্ভবা হওয়ায় চিকিৎসা ও সংসার ব্যয়ের চাপ আরো বেড়েছে। এমন চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের কাছে সহায়তার আবেদন জানান তিনি।সুজনের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম। এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে যারা আত্মত্যাগ করেছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের প্রতি রাষ্ট্র ও সমাজের গভীর দায়িত্ব রয়েছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। সুজনের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত কষ্টকর। তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি তার জন্য একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়েও আমরা উদ্যোগ নেব।

 

 

 

 

 

 

তিনি আরো উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী সবসময় অসহায় ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছেন এবং সেই ধারাবাহিকতায় জেলা প্রশাসনও মানবিক দায়িত্ব পালনে কাজ করে যাচ্ছে।

 

 

 

আর্থিক সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত সুজন বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আহত হওয়ার পর জীবনটা যেন একেবারে থমকে গেছে। বাবা স্ট্রোক করে শয্যাশায়ী, বোনের সংসার ভেঙে গেছে, আমার স্ত্রীও সন্তানসম্ভবা। পরিবারের দিকে তাকালে নিজেকে খুব অসহায় লাগত।’

 

 

 

তিনি আরো বলেন, ‘অনেক জায়গায় ঘুরেছি, কিন্তু আজ জেলা প্রশাসক ম্যাডাম আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। শুধু আর্থিক সহায়তাই দেননি, ভবিষ্যতে কাজের ব্যবস্থা করার আশ্বাসও দিয়েছেন। এই সহযোগিতা আমার পরিবারের জন্য নতুন আশার আলো হয়ে এসেছে।’

 

 

 

সহায়তা প্রদানকালে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ