মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

অর্থপাচারের প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ড্রেস

আমদানি-রপ্তানির আড়ালে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তবে এ ধরনের অর্থপাচারের বিষয়টি প্রমাণ করা সহজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

 

 

 

 

 

আজ সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নে বিষয়টি উত্থাপন করেন রুমিন ফারহানা।

 

 

 

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ এক ঘণ্টা হাত উঁচিয়ে ছিলাম, এরপর কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। আমদানি-রপ্তানির আড়ালে প্রতিনিয়ত অর্থ পাচার হচ্ছে। আমার প্রশ্ন হলো, টাকা পাচারের বিরুদ্ধে বাণিজ্যমন্ত্রী কী পদক্ষেপ নেবেন?

 

 

 

জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমদানি-রপ্তানির আড়ালে অনেক কিছু ঘটে।

 

 

 

 

 

অর্থপাচারের বিষয়টি নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন আছে। এটি শুনতে যত সহজ, প্রমাণ করা তত কঠিন। দেশে প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হচ্ছে। নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন কোন পণ্যের মাধ্যমে কত অর্থ পাচার হচ্ছে।তবে আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের প্রায় ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। কারণ উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতে বর্তমানে যে অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাওয়া যাচ্ছে, উত্তরণের পর তার বড় অংশ হারাতে হবে।

 

 

 

তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার বাণিজ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে।

 

 

 

 

 

ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) সম্পন্ন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়ে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২৪ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। ওই সময়ে রফতানি আয় ছিল ৫৫ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার, বিপরীতে আমদানি হয়েছে ৭৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য।

 

 

 

তিনি বলেন, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশই এখনও তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। এ নির্ভরতা কমাতে চামড়া, পাট, কৃষিপণ্য, ওষুধ, আইসিটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হিমায়িত খাদ্য ও প্লাস্টিক খাতকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

তিনি আরো জানান, নতুন বাজার অনুসন্ধান, অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার, স্বল্পসুদে ঋণ সহায়তা এবং রফতানি বহুমুখীকরণের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থা

ন আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ