এ ঘটনায় রেহানা আক্তার (৬০) নামের এক নারী মারা গেছেন। তার বাড়ী রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর মহল্লায়।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনটি বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। বাসে কুমারখালী থেকে একই পরিবারের চারজনসহ ৬ যাত্রী ওঠেন। এরপর কয়েকটি কাউন্টার থেকে অন্তত ৪৩ জন যাত্রী বাসটিতে ওঠেন।
কুমারখালী বাস কাউন্টারের কর্মী একরাম এসব তথ্য জানান।
একরাম আরো জানান, বাসটি কুমারখালীর পর খোকসা থেকে ৮ জন যাত্রী নেয়। এরপর মাছপাড়া, পাংশা ও রাজবাড়ী কাউন্টার থেকে ৩০-৩৫ জন যাত্রী তোলা হয়।
এ ঘটনায় রেহানা আক্তার (৬০) নামের এক নারী মারা গেছেন। তার বাড়ী রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর মহল্লায়।
এ ছাড়া মৃত রেহানার মেয়ে নুসরাত জাহানকে (৩০) জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি (নুসরাত) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক। তাকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।এ ছাড়া মৃত রেহানার ছোট ছেলে আহনাফ রাইয়ান (২৫) ও তার নাতি (বড় মেয়ের ছেলে) তাজবিদ (৭) নিখোঁজ রয়েছে।
মৃত রেহানা আক্তারের আপন ভাই সরকারি গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজের সাবেক শিক্ষক আব্দুল আউয়াল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) তাপস কুমার পাল জানান, বাসটিতে ৫০ থেকে ৬০ জন যাত্রী ছিল। তাদের মধ্যে ৮-৯ জন বের হতে পারলেও অন্যদের অবস্থা সম্পর্কে এখনো কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।