শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে এসেছে ৫২৫ মেঃটন চাউল

Reporter Name

মোঃ এনামুল হক,(বেনাপোল) প্রতিনিধি:

বেনাপোল দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আবারও চাল আমদানি শুরু হয়েছে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে দুই দফায় মোট ৫২৫মেঃ টন চাল দেশে এসেছে।

১৫টি ট্রাকে ভার থেকে দুই দফায় দেশে প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে এক চালানে ছিল ৩১৫ টন এবং অন্যটিতে ২১০ টন। চালগুলো আমদানি করেছে মেসার্স হাজীঃ আব্দুল মুসা করিম এ্যান্ড সন্স বেনাপোল। রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ছিল ভারতের লক্ষ্মী ট্রেডিং কোম্পানি ও শর্মা এগ্রো লিমিটেড।

আমদানিকারক আব্দুস সামাদ বলেন, চালের বাজার অনেকদিন ধরেই অস্থির। সরকার আমদানির অনুমতি দেওয়ার পর দ্রুত চাল এনেছি। আশা করছি, এতে বাজারে কিছু স্বস্তি ফিরছে।

বেনাপোলে আমদানি ও রপ্তানি কারক সমিতির সহ -সভাপতি আলহাজ আমিনুল হক (আনু) বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য ভোক্তাকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া। আমদানীর প্রক্রিয়াটি সহজ হলে আরও বেশি চাল আনা সম্ভব হবে। সরবরাহ বাড়লে বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে বলে জানান।

খুচরা ব্যবসায়ী আলহাজ মোঃ সাদাৎ হোসেন জানান, গত কয়েক সপ্তাহে মোটা চালের দাম কেজিতে ৫-৭ টাকা পর্যন্ত বেড়েছিল। এতে সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছিল। নতুন চাল এসে কিছুটা দাম কমতে শুরু করেছে তিনি বলেন আমাদের ধারণা আমদানি করা চাল এভাবে আসলে পাইকারিতেও দাম ৩-৪ টাকা পর্যন্ত কমবে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মোঃশামীম হোসেন জানান , দুই চালানের সবগুলো ট্রাক বন্দরে পৌঁছেছে এবং খালাস সম্পন্ন হয়েছে। কাস্টমস প্রক্রিয়া শেষে খুব দ্রুতই চাল বাজারে পৌঁছাবে। এতে শুধু বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে, সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।

গত বছর (২০২৪ সালে) বেনাপোল দিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার টন চাল আমদানি হয়েছিল। তবে চলতি অর্থবছরের শুরুতে নীতিগত কারণে কয়েক মাস চাল আমদানি বন্ধ থাকায় বাজারে চাহিদা-সরবরাহে অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। ব্যবসায়ীদের মতে, নিয়মিত আমদানির অনুমতি পেলে বাজার স্থিতিশীল থাকবে এবং সরকারও রাজস্ব আদায় বাড়বে।

বর্তমানে খুচরা বাজারে চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬৫-৭০ টাকায় এবং মোটা চাল ৫৫-৬০ টাকায়। পাইকারদের ধারণা, আমদানি করা চাল বাজারে এলে দাম ৩-৪ টাকা কমতে সুরু করেছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, সরকার যদি নিয়মিত আমদানির অনুমতি দেয়, তবে এই বছরেও চালের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। এতে শুধু বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে না, একইসঙ্গে সরকারের রাজস্ব আয়ের পরিমাণও বাড়বে।

নতুন চাল বাজারে প্রবেশ করেছে দাম ও ৩-৪ টাকা পর্যন্ত কমছে। ভোক্তারা মনে করছেন, যদি এভাবে নিয়মিত আমদানি চলতে থাকে তবে বাজারে আর অস্থিরতা থাকবে না। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষরা এতে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ