শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

এখনই সময় একসঙ্গে কাজ করার : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেক্স

প্রবীণদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সেবা খাত উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন। তিনি বলেছেন, ‘এখনই সময় একসঙ্গে কাজ করার। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই দীর্ঘমেয়াদি সেবা (লং-টার্ম কেয়ার) ব্যবস্থা গড়ে তোলা শুধু সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, এ জন্য উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত এবং কমিউনিটির শক্তিশালী অংশীদারি ও অংশগ্রহণ প্রয়োজন।’

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘টুওয়ার্ডস অ্যান ইনক্লুসিভ অ্যান্ড সাসটেইনেবল লং-টার্ম কেয়ার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই দীর্ঘমেয়াদি সেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এবং আয়াত এডুকেশন ফাউন্ডেশন আয়োজিত সংলাপ সঞ্চালনা করেন আয়াত এডুকেশন ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত আমান।

 

প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন বলেন, ‘সরকার কেয়ারগিভিং খাতকে সামাজিক সহায়তা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে শুরু করেছে। এই খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে চাই, তেমনি দেশের মানুষের জন্য দক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করতে চাই।’

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ সেবার ক্ষেত্রে মান, মর্যাদা এবং মানবিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বয়স্কদের জন্য সেবা বা পরিচর্যাই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ ওষুধ।

আমাদের পরিবারগুলোকে তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি পেশাদার সেবা কার্যক্রমের একটি মজবুত ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশে প্রশিক্ষিত নার্স ও সেবাদানকারীর তীব্র সংকট রয়েছে। এটি মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থায় বিনিয়োগ প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি সেবা নীতিমালায় সেবা গ্রহীতা ও সেবাদানকারী, উভয়ের সুরক্ষা, স্বীকৃতি ও সহায়তার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
’ 

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, “দীর্ঘমেয়াদী সেবা খাতে বিনিয়োগ বাংলাদেশের ‘সিলভার ইকোনমি’ বা বয়স্ক

অর্থনীতির বিকাশে সহায়ক হতে পারে, যা একইসঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।’’

সংলাপে তিনটি বিষয়কে মূল অগ্রাধিকার চিহ্নিত করা হয়। সেগুলো হচ্ছে, লিঙ্গ-সংবেদনশীল নীতিমালার মাধ্যমে নারীদের ওপর অবৈতনিক পরিচর্যার অসম বোঝা লাঘব করা, সেবা গ্রহণকারী ও সেবাদানকারী—উভয়কে বিবেচনায় নিয়ে মানুষ-কেন্দ্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করা এবং জনশক্তি উন্নয়ন, সেবা প্রদান এবং অর্থায়ন ব্যবস্থাসহ সেবা অর্থনীতিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।

সংলাপে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকারীরা মান নিয়ন্ত্রণ, জবাবদিহি এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে স্পষ্ট ও সমন্বিত নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ