বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বালিয়াডাঙ্গীর বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে আরএমপি নিয়োগের লটারি অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর পর শুক্রবার দেশে ফেরার কথা ছিল, আবুধাবিতে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল পটিয়ার পুলকের রাজশাহীতে উৎসবমুখর আয়োজনে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা বাজারে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন ছাতকে ৮০০ পিস ই’য়া’বাসহ একজন গ্রেফতার। ফরিদপুর থেকে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন গ্রাজুয়েট গ্রুপের: ২০২৭ সালের মধ্যে নিজস্ব জমিতে কারখানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য চিলমারীতে “জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুপ্তিকে” ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ সংবর্ধনা রাজশাহীর মোহনপুরে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত পটিয়া থানায় প্রভাব বিস্তার করে হট্টগোল করায় নারীকে বিতাড়িত ভূরুঙ্গামারীতে এইচএসসি ও আলিমের ফল প্রকাশে শীর্ষে ধলডাঙ্গা কলেজ ও ফাজিল মাদ্রাসা
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

বদলি আদেশ কার্যকর হয়নি ১৪ মাসেও, বার্লিন মিশনে অনিয়মের বিস্তর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে কাউন্সেলর (প্রজেক্ট) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত তানভীর কবিরের বিরুদ্ধে সরকারের আদেশ অমান্য, স্বেচ্ছাচারিতা, দায়িত্বে অবহেলা এবং সরকারের আর্থিক বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে তিনি বার্লিন মিশনে কর্মরত। মার্চ ২০২৫-এ তৎকালীন দূতালয় প্রধান, মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে বদলি হলে কবির রাষ্ট্রদূত কর্তৃক দূতালয় প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পান। দূতালয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি নিয়মবহির্ভূত সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের একের পর এক উদাহরণ সৃষ্টি করে চলেছেন।

 

 

স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি থেকেও তার বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে নানা অভিযোগ।

বাংলা আউটলুকে প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য ওঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি নিম্নে দেওয়া হলো—

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, একজন কূটনীতিক সাধারণত কোনো মিশনে তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন। সে হিসেবে কবিরের মেয়াদ পূর্ণ হয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।

 

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২১ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে স্মারক নং: ১৯.০০.০০০০.১১১.৪০.৩৫৯.২০/১০২৩ এর মাধ্যমে তাকে পাকিস্তানের করাচি মিশনে বদলির আদেশ জারি করে। পরবর্তীতে তিনি আবেদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাস বার্লিনের নিজস্ব চ্যান্সেরি ভবনের কাজের জন্য তার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে বার্লিন মিশনেই দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার আবেদন করেন, যা তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব প্রত্যাখ্যান করেন। ১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে স্মারক নং ১৯.০০.০০০০.১১১.৪০.৩৫৯.২০/১১৩৩ এর মাধ্যমে সরকারি আদেশ অনুযায়ী তাকে পুনরায় অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই আদেশের ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো বার্লিনে কর্মরত রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ