সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত আরাফার প্রান্তর: পবিত্র হজ আজ রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে ঈদুল আযহার সংবর্ধনার আয়োজন করবেন ২৮ মে আগামী ১ জুন শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু : আইনমন্ত্রী কিচেন কেবিনেট নিয়ে আসিফ মাহমুদের প্রতিক্রিয়া রাতে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে মেট্রোরেল-ট্রেন ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, পাবেন যেভাবে চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ২২ হাজার মানুষ : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদের জামাত ঈদের পর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ দেওয়ার পরিকল্পনা রেলমন্ত্রীর ঝিনাইদহের ঘটনা নিয়ে হাসনাতের নতুন পোস্ট
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

ফরিদপুরে মা ও মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার। 

স্টাফ রিপোর্টার

ফরিদপুরে মা ও মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার।

 

স্টাফ রিপোর্টার

 

ফরিদপুর জেলা কোতয়ালী থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর হত্যার জাহানারা বেগম ও তার শিশু কন্যা সামিয়া হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি উজ্জ্বল খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যার কাজে ব্যবহৃত কোদাল সহ অন্যান্য জিনিস পত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সাংবাদিকদেরকে জানিয়েছে ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কোতয়ালী থানার মামলা নং-৫৮, তারিখ ১৫/০৫/২০২৬, ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোডে দায়েরকৃত মামলার বাদী মো. লালন মোল্লা (৬৫), শিবালয়, মানিকগঞ্জ। নিহত জাহানারা বেগম (৩০) রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার কর্ণসোনা এলাকার আমজাদ শেখের স্ত্রী।

প্রথমদিকে মামলার আসামি অজ্ঞাত থাকলেও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এর দিকনির্দেশনায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে উজ্জ্বল খান (৩৮), পিতা মৃত শাজাহান খান, সাং বকাটিলা খাসেরকুল, ইউপি মঙ্গলপুর, থানা রাজবাড়ীকে শনাক্ত করা হয়।

পরবর্তীতে কোতয়ালী থানার এসআই আবুল বাশার মোল্লার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ১৬ মে ২০২৬ তারিখে রাজবাড়ীর বকাটিলা এলাকা থেকে তাকে আটক করে। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ৪ মে ২০২৬ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩৫ মিনিটে উজ্জ্বল খান মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জাহানারা বেগমকে কোতয়ালী থানাধীন চর মাধবদিয়া কালীতলা এলাকায় শামসুল মোল্লার পুকুরপাড়ের একটি নির্জন ছাপড়া ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মধ্যে পূর্বের সম্পর্ক ও বিয়ে সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথাকাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে উজ্জ্বল খান জাহানারার বুকে আঘাত করে এবং পরে দুই হাত দিয়ে গলা টিপে হত্যা নিশ্চিত করে। এ সময় শিশু সামিয়া চিৎকার শুরু করলে তাকেও গলা টিপে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

হত্যার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি বাড়ি থেকে কোদাল এনে পুকুরপাড়ে মাটি খুঁড়ে মা ও মেয়ের মরদেহ গোপনে পুঁতে রাখে। পরে উপরে কলাগাছের ডালপালা দিয়ে স্থানটি ঢেকে দেয়।

পরে ১৪ মে বিকেলে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থল থেকে মা ও শিশুর পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এলাকাবাসীর দাবি, এমন নৃশংস ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত উজ্জ্বল খানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর করা হোক।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ