শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

ফরিদপুরে নবম শ্রেণীর ছাত্র কে বেধড়ক বেত্রাঘাতে জখম করলেন স্কুলের শিক্ষক

Reporter Name

শামিম রেজা,বিশেষ প্রতিনিধি:

ফরিদপুর জেলায় শিক্ষকের হাতে বেত্রাঘাতে অসুস্থ হয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হসপিটালে ভর্তি হলেন ৯ম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। ১৪আগস্ট-২০২৫ ইং ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান ইনস্টিটিউশন উচ্চ বিদ্যালয়ে সৌদি প্রবাসী রেজোন মোল্লার পুত্র আল ইমরান মুছা কে ডিস লাইনের তার দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে জখম করলেন স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক আঃ মালেক মাস্টার। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আল ইমরান বলেন- সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া কোন এক ছাত্র স্যারের নাম ধরে ডাক দেন,, তখন স্যার ভেবেছেন আমি ওনার নাম ধরে ডেকেছি ভেবে মালেক স্যার আমাকে ধরে নিয়ে লাইব্রেরীর মধ্যে নিয়ে ডিস লাইনের তার দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটাতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই। পরবর্তীতে আমার জ্ঞান ফেরার পর দেখি স্থানীয় বাজারের এক পল্লীচিকিৎসক আমাকে পিঠে রক্তাক্ত জখম স্থানে মলম লাগিয়ে দিচ্ছেন এবং কেউ কেউ বরফ দিয়ে মেসেজ করে দিচ্ছেন। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীর মা আইরিন বেগম জানান আমার ছেলেকে বেধড়ক মারধর করার কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে তবুও পাষণ্ড শিক্ষক আমার ছেলেকে হাসপাতালে নেননি।এছাড়াও তারা ২ ঘন্টা পর্যন্ত লাইব্রেরীতে আটক রাখেন। আমি লোকমার ফতে খবর পেয়ে দ্রুত স্কুলের ছুটে যাই পরবর্তীতে আমার ছেলের শারীরিক অবস্থা সংখ্যাটাপন্ন হওয়ায় আমি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে ভর্তি করি। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে মালেক মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি তাকে তার দিয়ে পিটিয়েছি তবে তেমন কিছু হয় নাই, হাসপাতলে না নিলেও পারতো মূছার শরীরে বেত্রাঘাতে রক্তাক্ত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এড়িয়ে যান। শিক্ষার্থী আল ইমরান মুছার সম্পর্কে ঈশান গোপালপুর ইনস্টিটিউশন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিব প্রসাদ দাসের সহিত মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং বলেন ছাত্র শিক্ষককে শাসন করবে এটা স্বাভাবিক কিন্তু এটা বেশি অতিরিক্ত হয়ে গেছে বলে জানান। এছাড়াও তিনি বলেন বিদ্যালয় আরো অন্যান্য শিক্ষকরা যদিও উপস্থিত ছিলেন কিন্তু উনি সবার চাইতে সিনিয়র শিক্ষক হওয়ায় জুনিয়র শিক্ষকরা তাকে কে কিছু বলার সাহস পাইনি।

শিক্ষকের এমন আচরণের জন্য শিক্ষার্থী আল ইমরান মুছার মা আইরিন বেগম এবং তার বড় বোন রজনী আক্তার ও মুসার মামা সহ এলাকার লোকজনেরা এই শিক্ষকের বিচারের দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ