বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

নতুন পে-স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের ছয় দাবি

অনলাইন ড্রেস

সরকার গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশকৃত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট দ্রুত প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।

 

 

 

শুক্রবার (১৫ মে) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

 

 

 

 

 

সংবাদ সম্মেলনে সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক মো. লুৎফর রহমান বলেন, বিগত ১১ বছর ধরে প্রজাতন্ত্রের ফর্মচারীরা পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত। এ সময়ের মধ্যে সম্মিলিত মুদ্রস্ফীতি ১০৮ শতাংশ। এ প্রেক্ষাপটে ২০১৫ সালের বেতন দিয়ে ২০২৬ সালে কোনোভাবেই কর্মচারীরা তাদের সংসারের খরচ বহন করতে পারছেন না। এ অবস্থায় নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

 

 

 

 

 

এসময় তারা ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন। সেগুলো হলো-

 

 

 

১. ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন-স্কেল ৩৫ হাজার টাকায় নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থ বরাদ্দ রাখতে হবে। সরকার কর্তৃক গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশকৃত ‘বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল’- এর দ্রুত গেজেট প্রকাশ করতে হবে।

 

 

 

২. ২০১৫ সালে পে-স্কেলের গেজেটে বাদ দেওয়া তিনটি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা পুনর্বহাল করতে হবে।৩. ব্লক পোস্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে। এছাড়া টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা দিতে হবে।

 

 

 

৪. সব স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুয়িটি/ আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের স্থলে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া পেনশন গ্রাচুইটি এক টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

 

 

 

৫. বর্তমান বাজার মূল্যের সঙ্গে সংগতি, জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে বিদ্যমান ভাতাদি পুনর্নির্ধারণ ও সামরিক/ আধাসামরিক বহিনীর মতো (১১-২০ গ্রেডের) কর্মচারীদের রেশনিং পদ্ধতি চালু করতে হবে।

 

 

 

 

 

৬. প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে বেতন ও পদ বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে সচিবালয়ের মতো সব সরকারি, আধাসরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে কর্মচারীদের মধ্যে সৃষ্ট বৈষম্য দূর করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ