মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে কিশোর গ্যাং আতঙ্ক: নিরাপত্তাহীনতায় শহরবাসী।

মাইনুদ্দিন চিশতী বিশেষ প্রতিনিধ 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে কিশোর গ্যাং আতঙ্ক: নিরাপত্তাহীনতায় শহরবাসী।

 

মাইনুদ্দিন চিশতী বিশেষ প্রতিনিধ

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডেই কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত ও দৌরাত্ম্য ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে এই কিশোর অপরাধীদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ইভটিজিং, ছিনতাই, মাদক সেবন এবং তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া এখন শহরের নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি:

পৌরসভার ১ থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় প্রতিটি অলিগলিতেই গড়ে উঠেছে ছোট-বড় কিশোর গ্যাংয়ের একাধিক গ্রুপ। বিশেষ করে তিতাসপাড়া ২ নং ওয়ার্ডের চিত্র একটু ভিন্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানকে নিয়ে চিন্তিত আছে মত প্রকাশ করছে তাছারা সন্ধ্যার পর শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে এদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই কিশোররা নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে প্রায়ই সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ পথচারী ও ব্যবসায়ীদের ওপর।

পৌরবাসীর উদ্বেগ:

শহরবাসীর ভাষ্যমতে, স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করা এখন এই গ্যাংগুলোর প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকেন। শহরের প্রধান বাজার এলাকা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এদের উৎপাত সবচেয়ে বেশি।

প্রশাসনের ভূমিকা:

এলাকাবাসী কিশোর গ্যাং দমনে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং চিহ্নিত গ্যাং লিডারদের আইনের আওতায় আনা না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধী যে-ই হোক তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কিশোর অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ