বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বালিয়াডাঙ্গীর বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে আরএমপি নিয়োগের লটারি অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর পর শুক্রবার দেশে ফেরার কথা ছিল, আবুধাবিতে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল পটিয়ার পুলকের রাজশাহীতে উৎসবমুখর আয়োজনে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা বাজারে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন ছাতকে ৮০০ পিস ই’য়া’বাসহ একজন গ্রেফতার। ফরিদপুর থেকে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন গ্রাজুয়েট গ্রুপের: ২০২৭ সালের মধ্যে নিজস্ব জমিতে কারখানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য চিলমারীতে “জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুপ্তিকে” ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ সংবর্ধনা রাজশাহীর মোহনপুরে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত পটিয়া থানায় প্রভাব বিস্তার করে হট্টগোল করায় নারীকে বিতাড়িত ভূরুঙ্গামারীতে এইচএসসি ও আলিমের ফল প্রকাশে শীর্ষে ধলডাঙ্গা কলেজ ও ফাজিল মাদ্রাসা
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

স্বপ্নপূরণে সহযোগিতার হাত বাড়ালেন প্রশাসক এবি এম মামুনুর রশিদ পলাশ  

জহুরুল ইসলাম জপি,  শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

স্বপ্নপূরণে সহযোগিতার হাত বাড়ালেন প্রশাসক এবি এম মামুনুর রশিদ পলাশ

 

জহুরুল ইসলাম জপি,

শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

 

 

দারিদ্র্য, পারিবারিক সংকট আর অনিশ্চয়তার মাঝেও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন আঁকড়ে ধরে এগিয়ে চলা নকলা উপজেলার জমজ দুই বোন ফারজানা আক্তার ও ফাহিমা আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা পরিষদ, শেরপুর।

 

তাদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশিদ।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে ২০২৬) দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে দুই বোনের প্রত্যেকের হাতে ১০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন তিনি।

 

জানা যায়, নকলা উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন কায়িক শ্রমের মাধ্যমে চার সন্তানসহ পুরো পরিবারের ভরণপোষণ চালাতেন। কিন্তু ২০২১ সালে বরিশালে নির্মাণকাজ করতে গিয়ে গুরুতর দুর্ঘটনায় আহত হন তিনি।

 

এরপর থেকে প্রায় কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। ফলে পরিবারটি চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে এবং অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে জমজ দুই মেয়ের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন।

 

 

এ অবস্থায় পরিবারের হাল ধরেন তাদের মা। সীমাহীন কষ্ট ও সংগ্রামের মধ্যেও মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন তিনি।

 

কঠোর অধ্যবসায় আর মেধার স্বাক্ষর রেখে ফাহিমা আক্তার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান। অন্যদিকে ফারজানা আক্তার গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চশিক্ষার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে যান।

 

 

তবে পরিবারের নিত্যপ্রয়োজন, পিতার চিকিৎসা ব্যয় এবং দুই মেয়ের লেখাপড়ার খরচ সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছিলেন তাদের মা। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নকলা এবং জেলা পরিষদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের নজরে এলে তারা সহযোগিতার উদ্যোগ নেন।

 

তাদের অনুসন্ধান ও সুপারিশের ভিত্তিতে সহায়তার হাত বাড়ান জেলা পরিষদের প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশিদ পলাশ,

 

 

চেক প্রদানকালে এবিএম মামুনুর রশিদ বলেন,

ফারজানা ও ফাহিমা আমাদের সন্তান, শেরপুরের গর্ব। তারা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে সমাজ ও দেশের নারীদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

 

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায় বলেন,

আমরা চাই ফারজানা ও ফাহিমা সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাক।

 

তাদের জীবনসংগ্রামের গল্প দেশের অন্যান্য মেয়েদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। তাদের পাশে থাকতে পেরে আমরা গর্বিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ