রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ল শ্রীবরদীতে বিলের পাড় থেকে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার ছাতকে নিজের ঘরে বিদ্যুতের মেরামত করতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু সালথায় আসামির স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করতে গিয়ে গনধোলাই খেলেন-এএসআই চিলমারীতে বাড়ির পাশ থেকে, শিশু আয়শা সিদ্দিকার ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার রাজশাহীর মোহনপুরে সাংবাদিক মোজাহারের জানাজা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে সেলাই মেশিন, খেলাধুলার সামগ্রী ও মন্দিরে বাদ্যযন্ত্র বিতরন করেন এম পি ইলেন ভুট্টো জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে সরকার প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার : মাহদী আমিন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আইনি ও নীতিগত কাঠামো সংস্কার প্রয়োজন
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

সালথায় আসামির স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করতে গিয়ে গনধোলাই খেলেন-এএসআই

মোঃ ইলিয়াছ খান (সালথা উপজেলা) প্রতিনিধি ফরিদপুর:

সালথায় আসামির স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করতে গিয়ে গনধোলাই খেলেন-এএসআই

 

ফরিদপুরের সালথায় পরকীয়ার অভিযোগে গনপিটুনির শিকার হয়েছেন মো. ইমরান হাসান (৪০) নামে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) । গভীর রাতে আসামির স্ত্রীর ঘর থেকে তাকে হাতে – নাতে আটকের পর উত্তেজিত এলাকাবাসী তাকে গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রাম এ ঘটনা ঘটে। আহত এএসআই ইমরান সালথা থানায় কর্মরত এবং ওই ইউনিয়নের সহকারী বিট অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এই ঘটনায় ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে ওই পুলিশ কর্মকর্তার দাবি করেন, তিনি আসামি ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন। আর মাদক মামলার আসামির পরিবারের দাবি একটি পরকীয়া ঘটনা।
ওই ভিডিওতে দেখা যায় এএসআই ইমরানের গায়ে পুলিশের পোশাক নেই। প্যান্ট ও টি শার্ট পড়া। তার মাথায় কাপড় দিয়ে বাঁধা। মুখে রক্ত মাখা। গভীর রাতে নারীর ঘরে একা ঢুকে পরকীয়ার অভিযোগ তুলে কোন এক ব্যক্তি তার গায়ে আঘাত করেছেন। এখন এএসআই ইমরানকে বলতে শোনা যায় তুই আমার ভাই না মারিস কেন’ পরে ইমরানের পকেট থেকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ প্যাকেট পাওয়া যায় বলে দাবি করেন ভিডিও ধারণ করা ওই ব্যক্তি। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গিয়েছে, উপজেলার বলিভদ্রদিয়া এলাকার মোঃ মেহেদী হাসান (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সালথা ও পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে। মাদক মামলার সুবাদে এএসআই ইমরান হাসান মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের বাড়িতে ঘন ঘন যাওয়া আসা করতেন। যার প্রেক্ষিতে মেয়েদের স্ত্রীর সঙ্গে পুলিশের এসআই ইমরানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের বসতঘর ঢুকে তার স্ত্রীর সঙ্গে একা দেখা করতে গেলে এলাকার লোকজনের হাতে ধরা পড়ে মারধরের শিকার হন পরবর্তীতে সালতা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে এএসআই ইমরান হাসান আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী উপ পরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হাসানের দাবি, মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামে ধরতে সেখানে গিয়েছিলাম। তবে সাদা পোশাকে রাত তিনটার সময় আসামিকে একা ধরতে যাওয়ার ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি নিরুত্তর থাকেন।
মাদক মাওলানা আসামি মেহেদী হাসান বলেন, আমি একটি আসামি। ব্যবসায়িক কাজে আমি মাঝে মাঝে বাহিরে থাকি। এই সুযোগে আমাদের ইউনিয়নের পুলিশের বিট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব থাকা এএসআই ইমরান মাঝে মাঝে আমার বাড়িতে এসে আমার স্ত্রীকে কু- প্রস্তাব দেয়। একপর্যায়ে আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে এসআই ইমরানের কুরুচিপূর্ণ কথোপকথনের অডিও রেকর্ড ও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করি। এরই মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে ইমরান আমাদের ঘরে ঢুকলে এলাকাবাসী হাতেনাতে ইমরানকে আটক করে গণপেটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

এ বিষয়ে ছাতা ধরা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বাবলুর রহমান খান বলেন, মাদক মাওলানা আসামি ধরতে গেলে মাদক ব্যবসায়ী মেয়েদের পরিবার থাকে আটক করে মারধর করে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। গভীর রাতে একা কেন মাদকের আসামি ধরতে গেলেন, এ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে পসিবল বলেন কেন ওই এএসআই রাতের আঁধারে একা এবং পুলিশের পোশাক ছাড়া আসামের বাড়িতে গিয়েছিলেন এ বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ