সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত আরাফার প্রান্তর: পবিত্র হজ আজ রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে ঈদুল আযহার সংবর্ধনার আয়োজন করবেন ২৮ মে আগামী ১ জুন শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু : আইনমন্ত্রী কিচেন কেবিনেট নিয়ে আসিফ মাহমুদের প্রতিক্রিয়া রাতে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে মেট্রোরেল-ট্রেন ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, পাবেন যেভাবে চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ২২ হাজার মানুষ : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদের জামাত ঈদের পর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ দেওয়ার পরিকল্পনা রেলমন্ত্রীর ঝিনাইদহের ঘটনা নিয়ে হাসনাতের নতুন পোস্ট
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

পেট্রল পাম্পে ট্যাগ অফিসারদের দায়িত্ব কী, জানাল সরকার

অনলাইন ডেক্স

দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসারদের দায়িত্ব ও কর্মপরিধি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।

রবিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত দায়িত্ব অনুযায়ী, ট্যাগ অফিসারদের প্রতিদিন ফিলিং স্টেশনের প্রারম্ভিক মজুদ রেকর্ডভুক্ত করতে হবে এবং ডিপো থেকে সরবরাহ করা জ্বালানি তেল সরাসরি উপস্থিত থেকে পরিমাপ করে গ্রহণ করতে হবে। এ সময় পে-অর্ডার, ডিপোর চালান বা রিসিটের সঙ্গে সরবরাহ করা তেলের পরিমাণ মিলিয়ে দেখার পাশাপাশি ডিপ-রড বা ডিপ-স্টিকের মাধ্যমে বাস্তব মজুদ যাচাই করতে হবে।এ ছাড়া, ডিপো থেকে দৈনিক তেল গ্রহণের হিসাব যথাযথভাবে রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ হয়েছে কি না, তা নিয়মিত মনিটর করার নির্দেশনা রয়েছে।ফিলিং স্টেশনের ডিসপেন্সিং মেশিনের দৈনিক মিটার রিডিং পর্যালোচনা করে বিক্রয়ের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা এবং প্রতিদিনের বিক্রয় শেষে সমাপনী মজুদ যাচাই করাও ট্যাগ অফিসারদের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ডিসপেন্সিং মেশিনের পরিমাপ সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি ফিলিং স্টেশনের অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যানে উল্লিখিত মজুদক্ষমতা এবং বাস্তব মজুদের তথ্য যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে স্টেশনের আশপাশে কোনো অননুমোদিত ট্যাংক বা স্থাপনা রয়েছে কি না, তা-ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় থাকবে।

সরবরাহব্যবস্থাকে আরো স্বচ্ছ করতে ডিপো থেকে পাম্প এবং পাম্প থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াকে দৃশ্যমান করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এ লক্ষ্যে প্রতিটি ডিপো, ট্যাংকার, পাম্প এবং খুচরা বিক্রির তথ্য সমন্বিতভাবে পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিটি পাম্পে দিনে অন্তত তিনবার—সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায়—স্টক আপডেট বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, ডিপো থেকে জ্বালানি গ্রহণের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খুচরা বিক্রি শুরু না হলে তা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। উদাহরণস্বরূপ, তেল গ্রহণের এক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শুরু করতে হবে। এ নিয়ম ভঙ্গ করলে প্রথমবার সতর্কতা, দ্বিতীয়বার মোবাইল কোর্ট এবং তৃতীয়বার সাময়িক স্থগিতাদেশসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

 

এ ছাড়া, পাম্প খোলা থাকা, স্টক রেজিস্টার সংরক্ষণ, ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন, ক্যাশ মেমো প্রদান, নির্ধারিত সীমা অনুসরণ, কনটেইনারে অবৈধ বিক্রি প্রতিরোধ এবং সারি ব্যবস্থাপনার অবস্থা—এসব বিষয় জিও-ট্যাগ প্রমাণসহ নিয়মিত রিপোর্ট করতে হবে ট্যাগ অফিসারদের।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই দায়িত্ব কাঠামো কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি খাতে অনিয়ম ও কারসাজি কমে আসবে এবং সরবরাহব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা আরো জোরদার হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ