বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ‘সিনেমাআরেনা’র সূচনা সভা বালিয়াডাঙ্গীর বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে আরএমপি নিয়োগের লটারি অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর পর শুক্রবার দেশে ফেরার কথা ছিল, আবুধাবিতে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল পটিয়ার পুলকের রাজশাহীতে উৎসবমুখর আয়োজনে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা বাজারে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন ছাতকে ৮০০ পিস ই’য়া’বাসহ একজন গ্রেফতার। ফরিদপুর থেকে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন গ্রাজুয়েট গ্রুপের: ২০২৭ সালের মধ্যে নিজস্ব জমিতে কারখানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য চিলমারীতে “জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুপ্তিকে” ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ সংবর্ধনা রাজশাহীর মোহনপুরে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত পটিয়া থানায় প্রভাব বিস্তার করে হট্টগোল করায় নারীকে বিতাড়িত
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

চিলমারীতে হঠাৎ বেড়েছে শীতের তীব্রতা, দুর্ভোগে অসহায় মানুষেরা

Reporter Name

 

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “হঠাৎ করে দিন যতই গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে শীতের তীব্রতা”। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন, খেটে খাওয়া দিনমজুর এবং নিম্নআয়ের মানুষরা। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলেও সন্ধ্যার পরে, শীতের তীব্রতা বেশি বেড়ে যায়। এর সঙ্গে ঘন কুয়াশা পড়ার কারণে সড়ক ও নৌ-পথে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ই ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় চিলমারী উপজেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর থেকে কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌ-পথে চলাচল করার ব্যাপক বিঘ্নতা ঘটেছে বলে জানাযায়। শীতের এই প্রভাবের কারণে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্নআয়ের পরিবার গুলো। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না। চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্রের চাহিদা বেড়েছে। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণ সহায়তা এখনো অনেক জায়গায় পৌঁছায়নি বলে স্থানীয়দের মতামত। চিলমারী উপজেলার সখের হাট এলাকার অসহায় হোসেন আলী (৭৫), হামিদুল ইসলাম (২৫), ও আক্কাস আলী (৬৫) ও তছিরন বেওয়া বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারণে হাত-পা যেন অবশ হয়ে আসে। আগের চেয়ে ঠান্ডা অনেক বেশি হয়েছে। আমাদের এখনো কেউ একটা কম্বল দেয় নাই। আগের বুরে কম্বল দিয়ে গরম ধরে না, নয়া কম্বল পাইলে খুব ভালো হইল হয় বলে জানান তারা। এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে আমরা ইতিমধ্যে প্রায় ১২শ কম্বল বিতরণ করেছি। এই কম্বল বিতরণের কাজ পর্যায়ক্রমে চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ