বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ‘সিনেমাআরেনা’র সূচনা সভা বালিয়াডাঙ্গীর বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে আরএমপি নিয়োগের লটারি অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর পর শুক্রবার দেশে ফেরার কথা ছিল, আবুধাবিতে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল পটিয়ার পুলকের রাজশাহীতে উৎসবমুখর আয়োজনে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা বাজারে সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন ছাতকে ৮০০ পিস ই’য়া’বাসহ একজন গ্রেফতার। ফরিদপুর থেকে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন গ্রাজুয়েট গ্রুপের: ২০২৭ সালের মধ্যে নিজস্ব জমিতে কারখানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য চিলমারীতে “জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুপ্তিকে” ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ সংবর্ধনা রাজশাহীর মোহনপুরে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত পটিয়া থানায় প্রভাব বিস্তার করে হট্টগোল করায় নারীকে বিতাড়িত
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

দীর্ঘ ১৩মাস পরে পরিবারের নিকট ফিরলেন ৬ জেলে, আনন্দে আত্মহারা পরিবারের লোকজন

Reporter Name

 

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের চিলমারীর ও রৌমারীর জেলারা ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে, গত ১৩মাস কারাভোগের পর। কুড়িগ্রামের চিলমারী ও রৌমারীর ৬জন জেলে অবশেষে দেশে তাদের জন্মভূমিতে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (৯ই ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায়, শেরপুরের নালিতাবাড়ী নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে তারা দেশে ফিরে আসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন(৩৯) বিজিবি, ভারতীয় পুলিশ ও বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশ। কারামুক্তি পাওয়া জেলেরা হলেন, চিলমারী উপজেলা হরিণের বন্দ এলাকার রাসেল মিয়া(৩৫), ব্যাপারীপাড়া এলাকার বিপ্লব মিয়া(৪৫), মীরজাহান আলী(৪৫), বকুল মিয়া(৩২), আমের আলী(৩৫), রৌমারী উপজেলার বকবাদা এলাকার চাঁন মিয়া(৬০)। ২০২৪ সালের ৪ই নভেম্বর জিঞ্জিরাম নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে, ভুলবশত ভারতের জলসীমানায় ঢুকে পড়েন তারা। বিএসএফ তাদেরকে আটক করেন এবং আদালতের নির্দেশনায় মেঘালয় আমপাতি জেলার মাহিন্দগঞ্জের ক্ষণস্থায়ী আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। এরপর থেকে শুরু হয় দীর্ঘ ১৩মাসের অনিশ্চয়তা, কষ্ট ও অপেক্ষার সময়। আটকের প্রথম মাস গুলো যেন তাদের পরিবারের জন্য ছিল, খুবই কষ্টের এবং দুঃস্বপ্নের মত। কারও স্বামী, কারও বাবা আবার কারও একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। প্রায় ৭মাস পর হঠাৎ আশা দেখা দেয়, যখন মেঘালয়ের এক অচেনা বাসিন্দার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে জেলেরা জীবিত এবং কারাগারে দিন গুনছেন। দেশে ফেরার সময় সীমান্তে স্বজনদের বুকফাটা কাঁন্না ও আনন্দঘন মিশ্র আবেগ চোখে দেখা গিয়েছেল। বকুল মিয়ার স্ত্রী আজেদা বেগম বলেন, ‘প্রায় এক বছর ধরে আমরা পথের ধারে বসে বসে স্বামী ফিরে আসবে কিনা এই নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতাম। রাতে ঘুম হত না, দিন চলত না। আজ যখন তাকে নিরাপদে দেখি, চোখের জল থামছে না। আল্লাহকে অনেক ধন্যবাদ, আমাদের প্রার্থনা সাড়া দিয়েছেন তিনি।’
রমনা ব্যাপারীপাড়ার মীর জাহানের স্ত্রী ববিতা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর খোঁজ না পেলে আমরা বাঁচার আশা হারিয়ে ফেলে ছিলাম। একেক দিন যেন একেকটি অশান্তির সাগর পেরিয়ে যাচ্ছিলাম। আজ সে ফিরে এসেছেন, সব কষ্টই যেন এক মুহূর্তেই দূর হয়ে গেল। স্বজনের কাছে ফিরে আসা এই আনন্দ কখনো ভুলব না।’ সীমান্তে তাদেরকে গ্রহণ করে ছিলেন, পরিবারের সদস্যরা ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মী মাজু ইব্রাহিম, শাহ আলম, হুমায়ুন কবির ও রেজাউল করিম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ