স্টাফ রিপোর্টার: আব্দুল মতিন মুন্সী
ফরিদপুর–১ আসন—মধুখালি, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা—এ তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত বৃহৎ এই রাজনৈতিক অঞ্চলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা খন্দকার নাসিরুল ইসলাম। দলীয় রাজনীতির দুর্দিনে আপসহীন ভঙ্গিতে নেতাকর্মীদের পাশে থাকা, সংগঠনকে সক্রিয় রাখা এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন—সব মিলিয়ে তার নাম এখন পুরো এলাকায় তীব্রভাবে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে একই বাক্য—
“ফরিদপুর–১ আসনের প্রকৃত নেতা, পরীক্ষিত নেতা—খন্দকার নাসিরুল ইসলাম।”
দুর্দিনে নেতৃত্বের প্রতীক—খন্দকার নাসিরুল ইসলাম
গত এক দশক ধরে বিএনপির রাজনীতিতে যে প্রতিকূলতা, বাধা ও চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, সেই সময় অনেক নেতা রাজপথ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেও খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ঠিকই মাঠে ছিলেন। আন্দোলন-সংগঠনের কঠিন মুহূর্তে তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, গ্রেফতার–হামলা–মামলার সময় কর্মীদের সহযোগিতা করা এবং দলীয় সংগঠনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা—এসবই তাকে “দুর্দিনের অটল ও সাহসী নেতা”তে পরিণত করেছে।
তার অন্যতম রাজনৈতিক পরিচয় হলো—
দলের সংকটে তিনি কখনও পিছিয়ে যান না।
জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক: জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তি
সাবেক এই সংসদ সদস্য শুধু রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি এলাকাবাসীর সুখ–দুঃখের বন্ধু হিসেবেও সুপরিচিত। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা, রাস্তা–ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সমস্যা—সব বিষয়ে তিনি নিজ উদ্যোগে সমাধানের চেষ্টা করেছেন।
গ্রামাঞ্চলের কৃষকরা বলেন, কোনো বিপদে পড়লে আগে ফোন দিই নাসিরুল ভাইকে।”
শ্রমজীবী মানুষদের মতে—
“শুধু নেতা না, এলাকার আপনজন।”
এই আন্তরিক সম্পর্কই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা পরিচয় দিয়েছে।
তরুণদের মধ্যেও গ্রহণযোগ্যতা আকাশচুম্বী
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন—ফরিদপুর–১ আসনে একশ্রেণির তরুণ ভোটার আছেন যারা প্রথমবার ভোট দেবেন। তাদের বড় একটি অংশ খন্দকার নাসিরুল ইসলামের সৎ, পরিচ্ছন্ন এবং লড়াকু রাজনৈতিক চেহারাকে অনুসরণ করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ঘিরে তরুণদের স্লোগান—
“পরিবর্তনের প্রতীক—খন্দকার নাসিরুল ইসলাম।”
আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীকে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নাম
মধুখালি-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গার সাধারণ মানুষের বড় অংশ মনে করেন—দলের পরীক্ষিত নেতা হিসেবে খন্দকার নাসিরুল ইসলামই আগামী নির্বাচনে বিএনপির সবচেয়ে শক্তিশালী এবং জনগণের গ্রহণযোগ্য প্রার্থী।
অনেকে সরাসরি বলছেন—
“ধানের শীষ তার হাতে গেলে ভোটের মাঠে নতুন জোয়ার উঠবে। অন্য কারও মতো নয়, এই আসনে নাসিরুল ইসলামই সত্যিকারের গণমানুষের নেতা।”
তৃণমূল বিএনপির শক্তি ধরে রেখেছেন তিনি
ফরিদপুর–১ আসনের তৃণমূল বিএনপির সংগঠন যখন নানা চাপে টিকে থাকার লড়াই করছিল, তখন খন্দকার নাসিরুল ইসলামই এলাকায় সংগঠনকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করেছেন। তার নেতৃত্বেই অনেক ইউনিট পুনর্গঠন হয় এবং তৃণমূল পর্যায়ে নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।
স্থানীয় নেতারা বলেন—
“দলের পতাকা, সংগ্রাম ও আদর্শ টিকিয়ে রেখেছেন তিনি। এজন্যই এলাকাবাসী তাকে আবারও সামনে দেখতে চায়।”
জনগণের প্রত্যাশা—নেতৃত্বে ফিরে আসুন
সবদিক বিবেচনা করলে স্পষ্ট দেখা যায়—
ফরিদপুর–১ আসনের ভোটারদের আশা, আকাঙ্ক্ষা এবং আস্থা এখন খন্দকার নাসিরুল ইসলামের দিকেই কেন্দ্রীভূত।
মানুষ মনে করেন—
“বিএনপির কঠিন সময়ে যিনি ভরসা দিয়েছেন, আগামী দিনেও তাকেই চাই।”
এ কারণে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীক তার হাতেই দেখতে চান অধিকাংশ ভোটার।
তার নেতৃত্বে এই অঞ্চলে বিএনপির নতুন জাগরণ তৈরি হবে—এমন প্রত্যাশা সর্বস্তরের মানুষের।

