বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বার কাউন্সিল নির্বাচনে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি : আইনমন্ত্রী চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৪ লেন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে জনগণের অধিকার বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য : ডেপুটি স্পিকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এমওইউ সই করতে চায় চীন সরকারি চাকরিতে কোটায় নিয়োগের সংখ্যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়কদের নিয়েই কাজ করবে সরকার : চিফ হুইপ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এমওইউ সই করতে চায় চীন পৃথিবীর বহু জাতির চেয়ে বাংলার সংস্কৃতি অনেক সমৃদ্ধ : সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা পদক হস্তান্তর করবেন বৃহস্পতিবার নাইজেরিয়ার মেলায় বাংলাদেশের ১০ ওষুধ কম্পানির অংশগ্রহণ
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

নির্বাচনের নামে আমাদেরকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে: অলি আহমদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এবারের নির্বাচনে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এর এলডিপি। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দিয়ে সাতটি আসন পেলেও কোনো আসনেই জয় পায়নি দলটি। এমনকি নিজের এলাকা চট্টগ্রাম ১৪ (চন্দনাইশ) আসনেও বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দিনের কাছে হেরেছেন তার ছেলে ওমর ফারুক।

নির্বাচন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমাদেরকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে নির্বাচনের নামে। সমগ্র জাতিকে বোকা বানানো হয়েছে। কারণ তারা দিনের বেলায়ও ভোট ডাকাতি করেছে, রাতের বেলায়ও করেছে। সাড়ে চারটা থেকে ছটার মধ্যে যারা বেশি ভোট পেয়েছে তাদের ভোট ডাবল সিল মেরে বাতিল করা হয়েছে। কোথাও ভোট কম পড়লে নতুন করে সিল মেরে বাক্সে ঢোকানো হয়েছে। এতে অনেক প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, এই কাজ দেশদ্রোহিতার শামিল।

অলি আহমদ আরও বলেন, (জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে) ১৪০০ জন আমাদের মেধাবী সন্তান শাহাদাত বরণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হাজার হাজার ছেলে মেয়েরা শহীদ হয়েছে। আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। হেলায় হেলায় কেউ এসে রাজত্ব করবে আর আমরা বসে থাকব তা হতে পারে না।

তিনি জামায়াতে ইসলামী এবং জোটের অন্য শরিকদের উদ্দেশে বলেন, এখন আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতায় আছি। এটাকে শক্তিশালী করতে হলে নতুন নাম ও নতুন প্রতীক প্রয়োজন। ভিন্ন নামে একটি প্ল্যাটফর্মে সবাইকে এক ছাতার নিচে আসতে হবে। এতে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

অলি আহমদ বলেন, আমাদের ছাতা মার্কা নয়, জামায়াতের দাড়িপাল্লা মার্কাও নয় কিংবা শাপলা কলিও নয়, নতুন একটি প্রতীক নিয়ে এগোতে হবে। এতে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন শক্ত হবে এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে।

চট্টগ্রাম ১৪ আসনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওমর ফারুককে ভোট দিয়েছে। সেই ভোট প্রশাসন হাইজ্যাক করে তাঁকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ন্যাক্কারজনক অধ্যায়।

শেষে তিনি বলেন, আমাদের প্রার্থীরা হারে নাই, জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ