বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৃত্যুফাঁদের নাম ‘চায়না দুয়ারি’: নীরব ধ্বংসের মুখে দেশি মাছের অভয়াশ্রম সদরপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ: ভুক্তভোগীর পাশে এমপি বাবুল, দ্রু ত বিচারের নির্দেশ আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী মানবপাচার বন্ধে আইনের শাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রুহুল কবির রিজভী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৫ মাসে কিছুই বদলায়নি, ঘুষখোররা এখনও ঘুষ খাচ্ছে : মির্জা ফখরুল মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, কমবে গরম মনোহরদীতে মোবাইল কোটে মাদক ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র দেকে ১০ মাসের কারাদণ্ড প্রদান
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে নীতি সহায়তা চায় পোশাক খাত

অনলাইন ডেক্স

দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বজায় রাখতে সরকারের কাছ থেকে জোরালো নীতি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এ আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী এবং পরিচালক মো. হাসিব উদ্দিন।

বৈঠকে বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় প্রেক্ষাপটে তৈরি পোশাক শিল্পের নানা চ্যালেঞ্জ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং দেশে গ্যাস-বিদ্যুতের তীব্র সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসাবান্ধব নীতি ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে আরএমজি সাসটেইনেবল কাউন্সিল (আরএসসি)-এর কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আরএসসি মূলত ভবন, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা তদারকির জন্য গঠিত। এর পরিধি বাড়িয়ে বেতন, ছুটি বা ট্রেড ইউনিয়নের মতো নন-ওএসএইচ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হলে শিল্পের ওপর অতিরিক্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক চাপ তৈরি হবে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মালিকপক্ষ ও স্থানীয় আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা প্রয়োজন বলেও তিনি মত দেন। 

এ ছাড়া শিল্পের উন্নয়নে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরে বিজিএমইএ।

এর মধ্যে রয়েছে—এফওসি ভিত্তিতে কাঁচামাল আমদানি সহজ করতে আমদানি নীতি সংশোধন, বন্ড নীতির জটিলতা কমানো, নগদ প্রণোদনার ওপর ১০ শতাংশ আয়কর কর্তন প্রত্যাহার এবং ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করা। 

পাশাপাশি ‘আমদানি নীতি ২০২৪-২০২৭’ সংশোধন করে বাণিজ্য সহজীকরণ এবং শিল্প উদ্যোক্তাদের সিআইপি মর্যাদা প্রদানে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালুর প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বৈঠকে উত্থাপিত বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দেশের প্রধান রপ্তানি খাত হিসেবে পোশাক শিল্পের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এই খাতের সক্ষমতা ধরে রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা দিতে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ