শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সংসদে ৩ বিল পাস

অনলাইন ডেক্স

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দি পিপলস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’, ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬’ এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সংশোধন বিল-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

আজ সোমবার আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ৩টি অধ্যাদেশ আইন আকারে পাস করার লক্ষ্যে প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

আজ সোমবার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিল পাসের আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের উত্থাপিত বিলের অস্পষ্টতা নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও বিল পাসেরপাসের আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের উত্থাপিত বিলের অস্পষ্টতা নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও বিল পাসের কার্যক্রম নিয়ে নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী।

এ ছাড়া বিশেষ কমিটিতে সর্বসম্মতি অনুমোদিত বিলের ওপর বিরোধী দলের আপত্তি নিয়ে কথা বলেন চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি। তিনি আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করার লক্ষ্যে কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত সংসদকে অবহিত করেন।

সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশ তিনটি উপস্থাপন করা হয়। যা সংসদে আইন হিসেবে পাস হলো।

আরপিও বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দি পিপল অর্ডার ১৯৭২’ সংশোধন করে ইতিপূর্বে ২০২৫ সালে দুটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। আর ভোটার হওয়ার তারিখ প্রতি বছর পহেলা জানুয়ারির পাশাপাশি কমিশন কর্তৃক ঘোষিত অন্য যে কোনো তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে এই অধ্যাদেশটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জারি করে।

সংবিধান অনুযায়ী প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশ তিনটি বিল আকারে সংসদে পাস করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা রক্ষার্থেই আজ বিল ৩টি পাসের প্রস্তাব করা হয়েছে।এগুলো আইনে পরিণত হওয়ার ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আরো সুচারুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

 

বিলের আলোচনার শুরুতে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বিলের ৪৯ নম্বর পৃষ্ঠার ৮(বি) উপধারার একটি শব্দের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এখানে শেষ শব্দটি কি ‘সিট’ হবে নাকি ‘কনস্টিটিউেন্সি’ হবে? জবাবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ও আইনমন্ত্রী বিষয়টি পর্যালোচনার আশ্বাস দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ