শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জরুরী :
ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ চলমান সাথেই থাকুন দেখতে থাকুন

দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়ার আদর্শের বাস্তবায়ন চায় জনগণ

অনলাইন ডেক্স

অভিযোগ আসছে সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে। ২০০৭ সালের এক-এগারোর সরকার যেমন দুর্নীতির ব্যাপক বিস্তার ঘটিয়েছিল। বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিয়েছিল ১০ বছর, ঠিক তেমনি সুশীল সমাজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্র্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে লুটপাটের এক স্বর্গরাজ্য বানিয়ে ফেলেছিল। পিআইবি কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ পদে দুর্নীতিবাজদের বসিয়ে যথেচ্ছ লুটপাটের লাইসেন্স দিয়েছিল বিগত অন্তর্র্বর্তী সরকার।

একজন ব্যক্তি যখন ঘুষ দিয়ে কোন চেয়ারে বসে, তখন প্রধান লক্ষ্য হয় দুর্নীতি করে টাকা আত্মসাৎ। প্রথমে সে ঘুষের টাকা ওঠায়, তারপর তিনি নিজের পকেট ভারী করেন। অনেকেই মনে করেন, অন্তর্র্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশে যে পরিমাণ দুর্নীতি এবং ঘুষ বাণিজ্য হয়েছে, তা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে

গেছে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এক ধ্বংসস্তূপের মধ্যে। দেশে এক লুটপাটের রাজত্ব কায়েম হয়েছিল গত দেড় বছর। সেখান থেকে রাষ্ট্র পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের প্রথম কাজ হলো, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতির কঠোর প্রয়োগ।

বাংলাদেশে যদি শুধু দুর্নীতি বন্ধ হয় তাহলেই দেশের ৯০ শতাংশ সমস্যার সমাধান সম্ভব। দুর্নীতি বন্ধ করতে পারলেই দেশের অবিশ্বাস্য উন্নয়ন সম্ভব। সরকারের বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের পদায়নে যদি অবৈধ লেনদেন বন্ধ করা যায়, তাহলেই জনগণের হয়রানি দূর করা সম্ভব। আর এটা করতে হলে শহীদ জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করতে হবে

সরকারের কর্মকাণ্ডে। জিয়া নিজেকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে পেরেছিলেন বলেই তাঁর সরকার দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিল। তাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম কাজ হবে দুর্নীতিকে না বলা। নিয়োগ বাণিজ্য, পদায়ন বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য এবং উন্নয়ন প্রকল্পে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে পারলেই দুর্নীতি দমন করা যাবে। যেটি শহীদ জিয়া তাঁর শাসনকালে করে দেখিয়েছেন।

১৬ মার্চ খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ জিয়া যেন আবার ফিরে এসেছেন এই বাংলাদেশে। প্রধানমন্ত্রী যদি তাঁর আদর্শবান পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনমনীয় অবস্থান গ্রহণ করেন, তাহলেই বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। এ দেশের জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনায় তারেক রহমানের মধ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের প্রকাশ দেখতে চায়। খাল কাটার মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়াই হোক তারেক না। এ দেশের জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনায় তারেক রহমানের মধ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের প্রকাশ দেখতে চায়। খাল কাটার মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়াই হোক তারেক রহমানের পথপ্রদর্শক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ