ঢাকামঙ্গলবার , ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আবহাওয়া
  4. ইতিহাস
  5. কালিহাতী
  6. খেলা
  7. জাতীয়
  8. বিনোদন
  9. বিশ্ব
  10. মতামত
  11. রাজনীতি
  12. লাইফস্টাইল
  13. শিক্ষাঙ্গন
  14. সম্পাদকীয়
  15. সর্বশেষ
 
আজকের সর্বশেষ খবর

ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাংবাদিকদের হেনস্তা ও প্রশাসনের উপর খবরদারি তাঁতী দলের সভাপতি সোহেল সিদ্দিকীর

dailytodonto
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬ ১১:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

গাজীপুর প্রতিনিধি :

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী এলাকায় একের পর এক অভিযোগে অভিযুক্ত তাঁতী দলের সভাপতি সোহেল সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে এবার সাংবাদিক হেনস্তা ও প্রশাসনের কাজে বাধা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, অপরাধীদের রক্ষা করতে তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন।
ঘটনাটি ঘটে টঙ্গীর দেওড়া এলাকায় অবস্থিত তালিমুস সুন্নাহ বালিকা মাদ্রাসায়। ১০ই জানুয়ারী শনিবার মাদ্রাসাটির তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সোহানা (১১) কে নির্মমভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা মানিক মিয়া সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সভাপতি আবুল হাসেমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ঘটনার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। শিশুদের ওপর নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না উল্লেখ করে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
ঘটনাটি জানানো হলে টঙ্গী পশ্চিম থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশের উপস্থিতিতেও অবমূল্যায়নমূলক আচরণ করে এবং একই সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রতিও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। ওই সময় ঘটনাস্থলে প্রায় ১৮ থেকে ২০টি মিডিয়ার সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
দিনভর উত্তেজনা চলার পর সন্ধ্যায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ডাকে তাঁতী দলের সভাপতি সোহেল সিদ্দিকী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সঙ্গে করে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীও নিয়ে আসেন। সেখানে উপস্থিত টঙ্গী পশ্চিম থানার এএসআই রোকনকে উদ্দেশ্য করে সোহেল সিদ্দিকী বলেন, “আমি তাঁতী দলের সভাপতি সোহেল সিদ্দিকী বলছি, আপনারা চলে যান—আমি বিষয়টি দেখছি।”
তার এমন হুংকারে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে—প্রশাসন কি তবে রাজনৈতিক নেতার কাছে জিম্মি?
আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসন ও সাংবাদিকদের আড়ালে ভুক্তভোগী মানিক মিয়াকে মাদ্রাসার ভেতরে ডেকে নিয়ে একটি মুসলেখা তৈরি করে তাতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে সেই মুসলেখা সাংবাদিক ও প্রশাসনের সামনে পড়ে শোনানো হয়।
এ সময় বঙ্গ টেলিভিশনের সাংবাদিক সামিমা খানম সোহেল সিদ্দিকীর কাছে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি ও তার সহযোগীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা সন্ত্রাসী মব তৈরি করে সাংবাদিকদের হুমকি দেন এবং বঙ্গ টেলিভিশনকে উদ্দেশ্য করে বঙ্গবন্ধু টেলিভিশন বলে আখ্যায়িত করেন কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেন আওয়ামী লীগের টেলিভিশন চলবে না এমন মিথ্যা স্লোগান দেন এবং গনমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রশ্ন তোলেন। এতে ১৮–২০টি মিডিয়ার সাংবাদিক চরম হেনস্তার শিকার হন।
স্থানীয়দের দাবি, সোহেল সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে এর আগেও জমি দখল, বাড়ি দখলসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এমনকি গভীর রাতে মদ্যপ অবস্থায় টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবে ভাঙচুরের ঘটনাতেও তার জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও সাংবাদিক মহল তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Visited ১৪ times, ১ visit(s) today

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “পেজ দ্যা নিউজ” কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।