শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র, তা লুকানোর কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ। অতীতকে ভুলে যাওয়া চলবে না, তবে অতীত নিয়ে বেশি চর্চা সামনের ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সব জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
তিনি বলেছেন, অতীতে যেভাবে জিয়াউর রহমানকে খাটো করা হয়েছে, তা থেকেই প্রমাণিত হয়েছে, তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য চরিত্র। হঠাৎ করেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি জিয়াউর রহমান।
তারেক রহমান জানান, জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার সরকার। সমাজের একটি অংশ নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়ে ভালো থাকাই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।
এ সময় তিনি মনে করিয়ে দেন, আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সবাই একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন।