
মোঃ রুহুল আমিন ভূইয়া
সিনিয়র রিপোর্টার
এবং তথ্য সংগ্রহে মোঃ রুবেল মোল্লা

ফরিদপুর হতে ভাঙ্গা সড়কটি যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে, প্রেয়সী দেখা যায় রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে, তবে এই সংস্কারের কাজের গুণগত মান নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানান প্রশ্ন রয়েছে। প্রতি বছরের একাধিকবার রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও রাস্তাটি সবসময় বেহাল অবস্থায় থাকে চলাচলের অযোগ্য।
আমাদের চৌকস সাংবাদিক মোঃ রুবেল মোল্লা এই সড়কে চলমান বিভিন্ন যানবাহন চালক এবং যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন, জানতে চেয়েছেন তাদের ভোগান্তির কথা সুবিধা অসুবিধা কথা। চালকেরা সব সময়ই দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকেন এই ভাঙ্গাচুরা রাস্তায় গাড়ি চালানো ভিশন চ্যালেঞ্জিং বিষয়, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।।
যাত্রীদের মধ্যে থেকে সবাই একই সুরে আমাদের সাংবাদিক রুবেল মোল্লাকে জানান তাদের নানান রকমের ভোগান্তির কথা, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধ এবং গর্ভবতী মহিলাদের অসুস্থ রোগীদের জন্য রাস্তাটি আরো বেশি বিপদজনক। এই সড়কেে মাঝেমধ্যেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। চালক যাত্রীগণ এর সবার একটাই দাবি রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য।
বর্তমানে ইজিবাইক,সিএনজি mahindra সহ বিভিন্ন যানবাহন ফরিদপুর হতে জোয়ারের মোড় বাজারে এসে বাজার থেকে বামে একটা রোড গিয়েছে দেবীনগর হয়ে রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের মধ্য দিয়ে তালমার মোড় দিয়ে ওঠে আবার একই ভাবে তালমা হতে জোয়ারের মোড় হয়ে ফরিদপুর আসে। জুয়াইরের মোড় হতে তাল্মার মোড় পর্যন্ত এই যে বাইপার স্বরূপ কি এটা সম্পূর্ণটাই জামের মধ্য দিয়ে গিয়েছে, এখানে বাচ্চারা খেলাধুলা করে এখানে রাস্তার উভয় পাশে বসতবাড়ি থাকার কারণে সব সময় গার্জিয়ানরা দুশ্চিন্তায় থাকে তাদের সন্তানদেরকে নিয়ে যেন দুর্ঘটনার সম্মুখীন না হয়।
গ্রামবাসীর বিশেষ আবেদন এসব চালকদের প্রতি তারা যেন যেহেতু রাস্তাটি গ্রামের মধ্য দিয়ে গিয়েছে সিএনজি এবং মাহিন্দ্র অতিরিক্ত স্পিডে চলাচল করে এর জন্য দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেশি থাকে। ইজিবাইকগুলো স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করে।
গ্রামবাসী বলছেন রাস্তার জীবিত রয়েছে গাড়ি অবশ্যই চলবে তবে চালকদেরকে সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে প্রচুর পরিমাণে। এ বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন যেন কর্তৃপক্ষ এসব চালকদেরকে এই রাস্তাটুকু একটু নিরাপদে সঙ্গে যাতায়াত করার জন্য বলে।