সেক মোহাম্মদ আফজাল
বিশেষ প্রতিনিধি
ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাশাগারী গ্রামের পূর্ব শত্রুতার জের ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ১৯ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টায় গ্রামের দুই পক্ষের সংঘর্ষ কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় হারুন শেখের ছেলে বাবু শেখের স্ত্রী ও জাহিদ শিকদারের স্ত্রীর সাথে ছোট বাচ্চাদের খেলাধুলা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় পরে তাদের বাড়ির পুরুষদের সাথে ১৮ ফেব্রুয়ারী সন্ধায় আব্বাস শিকদারের সাথে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হলে আব্বাস শিকদারকে প্রহার করা হয় পরে স্হানীয় নেতৃবৃন্দরা বিষয়টি মীমাংসা করবে বলে জানা যায় কিন্তু পরদিন সকাল ৭ টায় দুই পক্ষের সাথে তুমুল সংঘর্ষের রুপ নেয় তাতে দেশীয় অস্ত্র, ইট পাটকেল, ঢাল সরকী,কালি, রামদা নিয়ে দুই পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়।
আহতরা হলেন এলোন মাতুব্বর -৩৫ হারুন শেখ-৫০ ছাবু মাতুব্বর - ৪০ ওদুত মাতুব্বর -৬৫ শওকত শেখ -৪৮ জলিল শেখ - ৪৭ ফিরোজ-৫৫ আবুল বাসার-৪৫ জলে শিকদার ৬৫ আব্বাস শিকদার -৫১ কোরবান আলী -৪৮ ও আলতাফ মাতুব্বর -৪৭।
দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় সিরাজ মাতুব্বরের বাড়িতে ভবনের কয়েকটি জানালা ভাংচুর ও একটি টিনের ঘর নষ্ট করে।
আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং কয়েকজনক প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বাড়ীতে রয়েছেন, গুরুতর আহত ফিরোজ কে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গেছে।
ফরিদপুর বরিশাল মহাসড়কের দুই পাশে সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি টিম যাওয়ার সময় গাড়ি থামিয়ে দুই পক্ষের প্রধানদের ডেকে সংঘাত না করার আহবানে দুই পক্ষই লিখত দেয় যে, তারা আর কোন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ করবে না দুই পক্ষের প্রধান হয়ে স্বাক্ষর করেন ওহাব মাতুব্বর এবং রিপন শিকদার এসময় নগরকান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ ও তার সঙ্গীয় ফোর্স উপস্থিত ছিলেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রহিজউদ্দীন চোকদার এবং নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান তারা মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।