নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর–পলাশবাড়ী) আসনে গণ অধিকার পরিষদ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠক এম এ মমিন আনসারী। বহুদিন ধরে তিনি সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার রক্ষা, সুশাসন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন।
গণ অধিকার পরিষদ একটি তরুণ প্রজন্মনির্ভর রাজনৈতিক দল, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। দলটি জনগণের অধিকার আদায়, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। রাজনৈতিক মাঠে নতুন প্রজন্মের ভাবনা ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দলটি ইতোমধ্যে তরুণদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এম এ মমিন আনসারী দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতা ও সংগঠন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। বর্তমানে তিনি বিএসকেপি পেনশন বাজার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন (এ্যাবজা)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি দৈনিক অপরাধ চিত্রের সম্পাদক ও প্রকাশক এবং জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।
তাঁর নেতৃত্বে এসব প্রতিষ্ঠান সামাজিক ন্যায়বিচার, তথ্যের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য উল্লেখযোগ্য কাজ করে আসছে। পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হিসেবে সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।
গাইবান্ধা ও আশপাশের এলাকায় এম এ মমিন আনসারী একজন সাহসী সাংবাদিক, সৎ সমাজকর্মী ও মানবিক চরিত্রের মানুষ হিসেবে পরিচিত। দুর্নীতি, অনিয়ম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর সরব অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর আস্থা সৃষ্টি করেছে। তিনি সব সময় অসহায়, বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, যা তাঁকে জনগণের কাছে একজন ন্যায়নিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি ইতোমধ্যে নেতৃত্ব, সততা ও পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। এলাকায় তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
এম এ মমিন আনসারী বিশ্বাস করেন, রাজনীতি কোনো ব্যক্তিস্বার্থের বিষয় নয়, এটি মানুষের কল্যাণের জন্য দায়িত্ববোধের একটি ক্ষেত্র। তাঁর লক্ষ্য হলো গাইবান্ধা-৩ আসনের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অগ্রগতি, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
তিনি মনে করেন, জনগণের অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি ছাড়া প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই তিনি জনগণের পাশে থেকে তাদের সমস্যার বাস্তব সমাধান ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এম এ মমিন আনসারীর মতো শিক্ষিত, দূরদর্শী ও সমাজসচেতন নেতৃত্ব গাইবান্ধা-৩ আসনের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে সক্ষম হবেন। দীর্ঘদিন ধরে প্রথাগত রাজনীতির কারণে জনগণ এখন পরিবর্তন চায়— এমন একজন নেতা, যিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী; যিনি জনগণের পাশে থেকে বাস্তব উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারেন।
গাইবান্ধার সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে, এম এ মমিন আনসারী সেই নেতৃত্ব, যিনি সৎভাবে কাজ করতে পারেন, যিনি তরুণদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে নিজেকে নিবেদন করেছেন।
তাঁর নেতৃত্বে গাইবান্ধা-৩ আসনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, আধুনিক রাজনৈতিক চিন্তা ও জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমের সূচনা হবে— এমন প্রত্যাশা এখন সর্বমহলে।